আপনি যে বাক্যটি বলেছেন - *"সারা পৃথিবীতে যখন অন্যায়-অবিচার নেমে এসেছে তখন দেবী দুর্গার আবির্ভাব হয়েছে"* - একজন মুসলমান মুখে এই কথা বললে তার ঈমানের বিষয়ে ইসলামের হুকুম খুব কঠিন। দলিল সহ দিচ্ছি:
১. এই কথাটা কেন ঈমান ভঙ্গের কারণ?
এখানে ৩টি বড় শিরক একসাথে হচ্ছে:
১. *সৃষ্টি ও ত্রাণকর্তা হিসেবে দুর্গাকে মানা:* অন্যায় দূর করার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। এই ক্ষমতা দুর্গার আছে মনে করা।
২. *আল্লাহ ছাড়া অন্যের আবির্ভাবকে রহমত মনে করা:*
৩. *আল্লাহর গুণ অন্য কাউকে দেওয়া*
২. কোরআনের দলিল - ঈমান থাকবে কি?
*১) সূরা আন-নিসা - ৪:৪৮ ও ৪:১১৬*
> إِنَاللَهَلَا يَغْفِرُأَنْيُشْرَكَبِهِ وَيَغْفِرُمَا دُونَذَٰلِكَلِمَنْيَشَاءُ> "নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না, এ ছাড়া যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।"
*২) সূরা আল-মায়িদা - ৫:৭২*
> إِنَهُمَنْيُشْرِكْبِاللَهِ فَقَدْحَرَمَاللَهُعَلَيْهِ الْجَنَةَوَمَأْوَاهُالنَارُ> "যে আল্লাহর সাথে শিরক করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেন এবং তার ঠিকানা জাহান্নাম।"
*৩) সূরা আয-যুমার - ৩৯:৬৫*
> لَئِنْأَشْرَكْتَلَيَحْبَطَنَعَمَلُكَوَلَتَكُونَنَمِنَالْخَاسِرِينَ> "যদি তুমি শিরক করো, তবে তোমার সমস্ত আমল নষ্ট হয়ে যাবে এবং তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" - এই আয়াত রাসুল (সা.) কে পর্যন্ত বলা হয়েছে।
*৪) সূরা ইউসুফ - ১২:১০৬*
> وَمَا يُؤْمِنُأَكْثَرُهُمْبِاللَهِ إِلَا وَهُمْمُشْرِكُونَ> "তাদের অধিকাংশ আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে।"
এই অবস্থায় ইসলামের পরিভাষায় তাকে *মুশরিক* এবং ঈমান ভঙ্গকারী বলা হয়।
৩. হাদিসের দলিল
*১) সহীহ বুখারী - ৪৪৯৭, সহীহ মুসলিম - ৯০*
> রাসুল (সা.) কে জিজ্ঞেস করা হলো সবচেয়ে বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেন: "আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।"
*২) সহীহ মুসলিম - ৩৫২*
> "যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ত্রাণকর্তা বা বিপদ দূরকারী হিসেবে ডাকলো, সে শিরক করলো।"
৪. তার শাস্তি কি? তার করণীয় কি?
এখানে ২টি দিক:
*ক) আখেরাতে:* তওবা ছাড়া মারা গেলে চিরস্থায়ী জাহান্নাম। সূরা মায়িদা ৫:৭২ অনুযায়ী।
*খ) দুনিয়াতে ইসলামী আইনে:*
কোনো মুসলমান জেনে-বুঝে এই কথা বললে সে মুরতাদ (ধর্মত্যাগী) হয়ে যায়। তবে সাথে সাথে তাকে হত্যা করা যাবে না। ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী প্রক্রিয়া হলো:
১. তাকে বুঝাতে হবে, সে ভুল করেছে।
২. তার সন্দেহ দূর করতে হবে - সহীহ বুখারী ৬৯২ অনুযায়ী মুরতাদকে ৩ দিন সময় দিতে হবে তওবার জন্য।
৩. যদি সে তওবা করে, কাল
2026-10-19 17:05:16
0
TaMiM :
বাংলাদেশ এর জাতীয় পুরোহিত
2026-10-20 02:07:54
0
natorer pagla :
😁😁😁
2026-10-19 15:26:52
0
To see more videos from user @aminulislam1675, please go to the Tikwm
homepage.