@eltarhounianwar: وغرق اليونايتد في بحيرة كومو 😂🤣🔵⚪️👍🇮🇹 #كومو #مانشستر_يونايتد #ميلان #دوري_ابطال_اوروبا #ضحك

Anwar Eltarhouni
Anwar Eltarhouni
Open In TikTok:
Region: LY
Wednesday 21 October 2026 21:56:43 GMT
5465
211
3
71

Music

Download

Comments

gti101dc7
Gti-2 :
عار وين كان مانيو وين صار
2026-10-21 22:13:09
1
b7e_20
حسين :
عادي هم فزنه 4
2026-10-21 22:25:02
0
abuassaaf2050
ᗩᔕᔕᗩF :
😂😂😂
2026-10-22 00:36:56
0
To see more videos from user @eltarhounianwar, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

মেয়েকে নিজের সন্তান মনে হয়নি বাবার, ডিএনএ পরীক্ষার পর বেরিয়ে এলো অবিশ্বাস্য সত্য মেয়েটি যত বড় হচ্ছিল, ততই তার চেহারায় নিজের কিংবা স্ত্রীর সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছিলেন না বাবা। একসময় বিষয়টি নিয়ে তাঁর মনে সন্দেহ তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত গোপনে ডিএনএ পরীক্ষা করান তিনি। পরীক্ষার ফল জানার পর হতবাক হয়ে যান—মেয়েটি তাঁর জৈবিক সন্তান নয়। ঘটনাটি ভিয়েতনামের হো চি মিন শহরের। মেয়েটির নাম ল্যান এবং তাঁর মায়ের নাম হং। বাবার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। ডিএনএ পরীক্ষার ফল সামনে আসার পর দাম্পত্য সম্পর্কে তৈরি হয় তীব্র টানাপোড়েন। বাবা স্ত্রীর কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে হং অভিযোগ অস্বীকার করেন। একপর্যায়ে মেয়েকে নিয়ে তিনি অন্য শহরে চলে যান এবং ল্যানকে নতুন একটি স্কুলে ভর্তি করেন। কিন্তু সেখানেই অপেক্ষা করছিল এমন এক ঘটনা, যা পুরো রহস্যের জট খুলে দেয়। নতুন স্কুলে ল্যানের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় আরেক মেয়ের। কাকতালীয়ভাবে জানা যায়, দুজনের জন্মদিন একই দিনে। আরও আশ্চর্যের বিষয়, দুজনের জন্মও হয়েছিল একই হাসপাতালে। এই মিল থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। একদিন জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ল্যানকে দেখে বন্ধুটির মা বিস্মিত হয়ে যান। মেয়েটির চেহারায় তিনি নিজের ছোটবেলার অদ্ভুত মিল খুঁজে পান। এরপর বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। জন্মের তথ্য মিলিয়ে দেখা হলে সামনে আসে আরও চমকপ্রদ তথ্য—দুই মেয়েই একই সময়ে একই হাসপাতালে জন্মেছিল। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়, জন্মের সময় হাসপাতালের ভুলের কারণে দুই শিশুকে ভুল পরিবারের কাছে দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, এত বছর ধরে দুই পরিবারই নিজেদের জৈবিক সন্তান নয়, অন্য পরিবারের সন্তানকে বড় করে তুলছিল। সত্য জানার পর দুই পরিবারের মধ্যেও তৈরি হয় নতুন এক সম্পর্ক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন দুই পরিবার একসঙ্গে সময় কাটায়। তবে মেয়েদের কাছে পুরো সত্যটি এখনও জানানো হয়নি; উপযুক্ত সময়ে তাদের বিষয়টি জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একটি সন্দেহ থেকে শুরু হয়েছিল যে গল্প, শেষ পর্যন্ত সেটিই প্রকাশ করল আরও বড় এক সত্য। কখনও কখনও জীবনের সবচেয়ে অবিশ্বাস্য ঘটনাগুলোও বাস্তব হয়ে সামনে আসে—আর সত্যের কাছে পৌঁছাতে সময় লাগে, কিন্তু সত্য শেষ পর্যন্ত নিজের পথ খুঁজে নেয়। তথ্যসূত্র:#RS_Said_bai✒️ #ক্যাপশন_ভালো_লাগলে_লাইক_শেয়ার_করে_পাশে_থাকবেন❤️🥀
মেয়েকে নিজের সন্তান মনে হয়নি বাবার, ডিএনএ পরীক্ষার পর বেরিয়ে এলো অবিশ্বাস্য সত্য মেয়েটি যত বড় হচ্ছিল, ততই তার চেহারায় নিজের কিংবা স্ত্রীর সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছিলেন না বাবা। একসময় বিষয়টি নিয়ে তাঁর মনে সন্দেহ তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত গোপনে ডিএনএ পরীক্ষা করান তিনি। পরীক্ষার ফল জানার পর হতবাক হয়ে যান—মেয়েটি তাঁর জৈবিক সন্তান নয়। ঘটনাটি ভিয়েতনামের হো চি মিন শহরের। মেয়েটির নাম ল্যান এবং তাঁর মায়ের নাম হং। বাবার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। ডিএনএ পরীক্ষার ফল সামনে আসার পর দাম্পত্য সম্পর্কে তৈরি হয় তীব্র টানাপোড়েন। বাবা স্ত্রীর কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে হং অভিযোগ অস্বীকার করেন। একপর্যায়ে মেয়েকে নিয়ে তিনি অন্য শহরে চলে যান এবং ল্যানকে নতুন একটি স্কুলে ভর্তি করেন। কিন্তু সেখানেই অপেক্ষা করছিল এমন এক ঘটনা, যা পুরো রহস্যের জট খুলে দেয়। নতুন স্কুলে ল্যানের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় আরেক মেয়ের। কাকতালীয়ভাবে জানা যায়, দুজনের জন্মদিন একই দিনে। আরও আশ্চর্যের বিষয়, দুজনের জন্মও হয়েছিল একই হাসপাতালে। এই মিল থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। একদিন জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ল্যানকে দেখে বন্ধুটির মা বিস্মিত হয়ে যান। মেয়েটির চেহারায় তিনি নিজের ছোটবেলার অদ্ভুত মিল খুঁজে পান। এরপর বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। জন্মের তথ্য মিলিয়ে দেখা হলে সামনে আসে আরও চমকপ্রদ তথ্য—দুই মেয়েই একই সময়ে একই হাসপাতালে জন্মেছিল। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়, জন্মের সময় হাসপাতালের ভুলের কারণে দুই শিশুকে ভুল পরিবারের কাছে দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, এত বছর ধরে দুই পরিবারই নিজেদের জৈবিক সন্তান নয়, অন্য পরিবারের সন্তানকে বড় করে তুলছিল। সত্য জানার পর দুই পরিবারের মধ্যেও তৈরি হয় নতুন এক সম্পর্ক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন দুই পরিবার একসঙ্গে সময় কাটায়। তবে মেয়েদের কাছে পুরো সত্যটি এখনও জানানো হয়নি; উপযুক্ত সময়ে তাদের বিষয়টি জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একটি সন্দেহ থেকে শুরু হয়েছিল যে গল্প, শেষ পর্যন্ত সেটিই প্রকাশ করল আরও বড় এক সত্য। কখনও কখনও জীবনের সবচেয়ে অবিশ্বাস্য ঘটনাগুলোও বাস্তব হয়ে সামনে আসে—আর সত্যের কাছে পৌঁছাতে সময় লাগে, কিন্তু সত্য শেষ পর্যন্ত নিজের পথ খুঁজে নেয়। তথ্যসূত্র:#RS_Said_bai✒️ #ক্যাপশন_ভালো_লাগলে_লাইক_শেয়ার_করে_পাশে_থাকবেন❤️🥀

About