@ssveeiio_: #888 #neskemnesvyazano#

SVS
SVS
Open In TikTok:
Region: FR
Thursday 22 October 2026 08:52:40 GMT
3265
377
18
18

Music

Download

Comments

hehrj34
hehrj🧩 :
Можно тутор на мейк🙏🙏🙏
2026-10-22 08:56:57
0
gfurovva7
bibishka :
Жонм моя
2026-10-25 09:38:17
0
lysazure
л :
красиваяя
2026-10-22 16:49:09
0
shkrva7s
shakhrish :
красавица
2026-10-22 09:00:37
0
avgustinaaa_13
avgustinaa_13 :
как всегда фактишь асалм
2026-10-22 12:25:58
0
rstmvch_s7
𝐫𝐬𝐭𝐦𝐯𝐜𝐡_𝐬𝟕 :
2026-10-22 09:10:00
0
gfurovva7
bibishka :
2026-10-25 09:38:08
0
r_inamjanovnaa
korieva' :
ваш не повторимый😘
2026-10-23 18:53:43
1
bakhhromova_
𝑶. :
😍😍😍😍😍😍
2026-10-22 16:36:12
0
umarvass_
rd :
💔💔💯💯💯
2026-10-22 11:42:18
0
msc.camii
msc.camii :
[Красные губы]
2026-10-22 13:32:45
0
avgustinaaa_13
avgustinaa_13 :
😍😍😍😍
2026-10-22 12:26:01
0
avgustinaaa_13
avgustinaa_13 :
💯💯💯💯💯💯💯💯💯💯
2026-10-22 12:25:53
0
mamedovvv02
✵ 𝑽𝒊𝒕𝒂 𝑩𝒓𝒆𝒗𝒊𝒔 ✵ :
@dovud.beliy качон опкетаса буни 333 ли9 да
2026-10-22 14:14:19
0
shkrva7s
shakhrish :
💯💯💯
2026-10-22 09:00:30
0
mubinakhhon7
mubin♥️xon :
💯💯♥️
2026-10-24 05:13:33
0
To see more videos from user @ssveeiio_, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Part - 48 || 𝐇𝐢𝐝𝐝𝐞𝐧 𝐎𝐛𝐬𝐞𝐬𝐬𝐢𝐨𝐧-♡ ঘড়ির কাটা তখন সকাল নয়টার ঘরে থেমেছে। একে একে সবাই এসে Tae এর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে লাগল। কিয়ান নিজের ড্যাশিং বডি নিয়ে বুক ফুলিয়ে এগিয়ে এলো। আসেপাশে চেয়ে তনুকে খুঁজতেই দেখলো সে এখনো উপস্থিত হয়নি সকলের মাঝে। কাইফা ভাইয়ের চোরা মুখের ভাব দেখে মুখ কুঁচকে বাড়ির ভিতরে হাটা ধরলো। নিভান শার্টের কয়েকটা বোতাম খুলে বুক উন্মুক্ত করে কিয়ানকে দেখিয়ে বলল, —দেখতো ভাই আমাকে হিরো হিরো লাগছে কিনা?  —আরে হিরোর সীমা অতিক্রম করে পুরো হিরো আলম লাগছে ভাইই।  নিভানের মুখটা ফাটা বেলুনের মতো চুপসে গেলো। কিয়ান হাসতে হাসতে মাটিতেই বসে পড়েছে, বেচারা নিজের কথায় নিজে হেসেই কুল পাচ্ছে না। নিভান মনে মনে বকলো কিয়ানকে। এরা ভাই বোন দুটোই এক জাতের, কেউ প্রশংসার প ও করতে পারে না। এইযে এসেছে পর থেকে কাইফার সামনে নিজের হিরোগিরি তুলে ধরেছিল, কিন্তু মেয়েটা তো তার দিকে তাকায়ওনি, উল্টো বলে ফেলেছিল, —আপনি এক কাজ করুন, বাংলা সিনেমায় অংশ নিয়ে নিন। অযথা আপনার শুটিং করার প্রতিভাগুলো আমাকে দেখিয়ে নষ্ট করেতো লাভ নেই তাইনা? নিভানের ভাবনার মাঝেই Tae কে বেরিয়ে আসতে দেখা গেলো। সাদা শার্ট আর কালো প্যান্ট সুদর্শনতা মাত্রা অতিক্রম করেছে। এ লোক কাজে যাচ্ছে নাকি মেয়ে পটাতে যাচ্ছে? অবশ্য অন্যান্য মেয়ের সঙ্গে আজকে Yn ও পটে যাবে নিশ্চিত। এমন সুদর্শন কোটিতেও একটা দেখা যায়না যে।  এইসব ভাবতে ভাবতে মিটিমিটি হাসলো কিয়ান। ফট করে প্রসঙ্গ পাল্টে ধরলো, —এই সবাই উপস্থিত, Yn কেনো এখনো আসছে না? ওর ফোনটাও বন্ধ, শরীর টরীর খারাপ হলো নাকি? এতক্ষণ শার্টের হাতা ফোল্ট করতে ব্যস্ত ছিল Tae। কিয়ানের আকর্ষিক কথায় চোখ উঁচিয়ে চাইলো, কিঞ্চিৎ অধৈর্য হয়ে বলল,  —তনুকে ফোন কর কিয়ান।  —তনু ও ফোন ধরছে না।  দাড়িয়ে থেকে আর সময় নষ্ট করলো না Tae, বড় বড় পা ফেলে এগিয়ে যেতে যেতে বলল, —তোরা অন্য গাড়িতে করে চলে যা, আমি Yn কে নিয়ে আসছি।  কিয়ান ঠোঁট বাঁকিয়ে হেসে আচমকা নিভানের সঙ্গে হাত মেলালো। তারাও পিছন পিছন এগোতে নিলে তনু আর Yn কে আসতে দেখা গেলো। Tae এর পা থেমে গেলো Yn কে দেখেই। ঘাড় ঘুরিয়ে পাশে দাঁড়ানো কিয়ানের দিকে চোখ কটমট করে চাইলো। চোখে চোখ পড়তেই কিয়ান কেবলার মত হেসে ভিতর ভিতর ঢোক গিললো। এইরে, মিথ্যা সাজিয়ে বলেও ধরা পরে গেলো। এই মিথ্যা বলার অপরাধে Tae নিশ্চই কক্সবাজারের সমুদ্রে তাকে চুবিয়ে মেরে রেখে আসবে।  কিয়ান ব্যাঙের মতো লাফিয়ে লাফিয়ে গাড়িতে উঠে বসলো। একে একে সবাই পিছনের গাড়িতে উঠে বসতেই Yn ও দুলতে দুলতে সেইদিকে হাটা ধরতে নিলো, আচমকা বাহুতে হ্যাঁচকা টান পরায় বারি খেলো Tae এর বুকের সঙ্গে। Yn ঘাড় ঘুরিয়ে বিরক্তিতে চোখমুখ খিঁচে চাইলো। এই লোকের সঙ্গেই কেনো সে সবসময় বারি খায়? কেনো ঘুরে এসে এই হিটলারের শক্তপোক্ত বুকে আটকা পরে সে?  Tae শান্ত ভঙ্গিতে চেয়ে দেখছে Yn কে। চেক শার্টের সঙ্গে কালো জিন্সের প্যান্ট পড়েছে মেয়েটা, চুলগুলো কোনমতে যেনো খোপা করেছে। কয়েকটা ছোট চুল ঢলঢলে মুখের ওপর আছড়ে পড়ছে বারবার। Tae সূক্ষ্ম নজরে পরখ করলেও তার চোখে তীক্ষ্ণতা ছিল। সেই তীক্ষ্ণতা দেখে Yn ঢোক গিললো। উল্টো ঘুরে গাড়ির দিকে যেতে চাইলে Tae ঠান্ডা গলায় বলল, —আমার গাড়িতে ওঠো।  —কেনো? —কারণ ওরা ট্যুরে গেলেও আমরা বিজনেসের কাজে যাচ্ছি।  —নিভান ভাইকে ডে- —ওর আজকে ছুটি।  —আমি একা যাবো না আপনার সঙ্গে। Tae এর মেজাজ চড়ে গেলো। যত ভাবে এই মেয়েকে বকবে না, অযথা ধমকাবে না ততই যেনো অবাধ্য হয়ে যায় এই মেয়ে। একদিন না বকলে দুইদিন মাথায় উঠে নাচে। তার প্রতিটা কথার অমত করার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে ফেলেছে এই মেয়ে। আজ পযন্ত কোনোদিন তাঁর কথা শুনেছে? শোনাতে পেরেছে? এখন ধমক দিলে উল্টো তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে, চোখের সামনে আসতে চাইবে না, তাকে ইগনোর করে চোখে আঙুল তুলে ঘুরবে। এত কিছু সহ্য করা যায়? নাহ, Tae নিজের রাগটুকু পুষে ফেলতে পারল না, নিজের পুরনো রূপে ফিরে এসে চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, —তোমার মতো অবাধ্যকে সহ্য করার জন্য আমি আসিনি। বলেছিলাম তোমার আর আমার মধ্যে শুধু প্রয়োজন থাকবে কোনো ধরনের আসক্তি নয়। তাহলে কিসের দোহাই দিয়ে আমার কথার ওপর দ্বিমত করছো? আমার সঙ্গে গেলে তোমাকে খেয়ে ফেলবো? নাকি টাচ করবো? করেছি কখনো? এমন রঙ্গ করে আমাকে চরিত্রহীন বুঝাচ্ছ? আনসাম মি Yn! শেষের কথার সঙ্গে ধমকে উঠলো Tae, Yn এর কোমল শরীরটা কেঁপে উঠল। মাথা নুইয়ে চুপচাপ সবটা শুনলো মেয়েটা। সবাই একসঙ্গে যাচ্ছিল বলে সেও যেতে চাচ্ছিল, তাই বলে এত কথা শুনবে? তাছাড়া এত কথা বলতে শিখলো কবে এই লোক? ** FF টা হয়তো বন্ধ করে দিতে হবে!! 200+cp lnk #foryoupage #fyp #Rimjem
Part - 48 || 𝐇𝐢𝐝𝐝𝐞𝐧 𝐎𝐛𝐬𝐞𝐬𝐬𝐢𝐨𝐧-♡ ঘড়ির কাটা তখন সকাল নয়টার ঘরে থেমেছে। একে একে সবাই এসে Tae এর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে লাগল। কিয়ান নিজের ড্যাশিং বডি নিয়ে বুক ফুলিয়ে এগিয়ে এলো। আসেপাশে চেয়ে তনুকে খুঁজতেই দেখলো সে এখনো উপস্থিত হয়নি সকলের মাঝে। কাইফা ভাইয়ের চোরা মুখের ভাব দেখে মুখ কুঁচকে বাড়ির ভিতরে হাটা ধরলো। নিভান শার্টের কয়েকটা বোতাম খুলে বুক উন্মুক্ত করে কিয়ানকে দেখিয়ে বলল, —দেখতো ভাই আমাকে হিরো হিরো লাগছে কিনা? —আরে হিরোর সীমা অতিক্রম করে পুরো হিরো আলম লাগছে ভাইই। নিভানের মুখটা ফাটা বেলুনের মতো চুপসে গেলো। কিয়ান হাসতে হাসতে মাটিতেই বসে পড়েছে, বেচারা নিজের কথায় নিজে হেসেই কুল পাচ্ছে না। নিভান মনে মনে বকলো কিয়ানকে। এরা ভাই বোন দুটোই এক জাতের, কেউ প্রশংসার প ও করতে পারে না। এইযে এসেছে পর থেকে কাইফার সামনে নিজের হিরোগিরি তুলে ধরেছিল, কিন্তু মেয়েটা তো তার দিকে তাকায়ওনি, উল্টো বলে ফেলেছিল, —আপনি এক কাজ করুন, বাংলা সিনেমায় অংশ নিয়ে নিন। অযথা আপনার শুটিং করার প্রতিভাগুলো আমাকে দেখিয়ে নষ্ট করেতো লাভ নেই তাইনা? নিভানের ভাবনার মাঝেই Tae কে বেরিয়ে আসতে দেখা গেলো। সাদা শার্ট আর কালো প্যান্ট সুদর্শনতা মাত্রা অতিক্রম করেছে। এ লোক কাজে যাচ্ছে নাকি মেয়ে পটাতে যাচ্ছে? অবশ্য অন্যান্য মেয়ের সঙ্গে আজকে Yn ও পটে যাবে নিশ্চিত। এমন সুদর্শন কোটিতেও একটা দেখা যায়না যে। এইসব ভাবতে ভাবতে মিটিমিটি হাসলো কিয়ান। ফট করে প্রসঙ্গ পাল্টে ধরলো, —এই সবাই উপস্থিত, Yn কেনো এখনো আসছে না? ওর ফোনটাও বন্ধ, শরীর টরীর খারাপ হলো নাকি? এতক্ষণ শার্টের হাতা ফোল্ট করতে ব্যস্ত ছিল Tae। কিয়ানের আকর্ষিক কথায় চোখ উঁচিয়ে চাইলো, কিঞ্চিৎ অধৈর্য হয়ে বলল, —তনুকে ফোন কর কিয়ান। —তনু ও ফোন ধরছে না। দাড়িয়ে থেকে আর সময় নষ্ট করলো না Tae, বড় বড় পা ফেলে এগিয়ে যেতে যেতে বলল, —তোরা অন্য গাড়িতে করে চলে যা, আমি Yn কে নিয়ে আসছি। কিয়ান ঠোঁট বাঁকিয়ে হেসে আচমকা নিভানের সঙ্গে হাত মেলালো। তারাও পিছন পিছন এগোতে নিলে তনু আর Yn কে আসতে দেখা গেলো। Tae এর পা থেমে গেলো Yn কে দেখেই। ঘাড় ঘুরিয়ে পাশে দাঁড়ানো কিয়ানের দিকে চোখ কটমট করে চাইলো। চোখে চোখ পড়তেই কিয়ান কেবলার মত হেসে ভিতর ভিতর ঢোক গিললো। এইরে, মিথ্যা সাজিয়ে বলেও ধরা পরে গেলো। এই মিথ্যা বলার অপরাধে Tae নিশ্চই কক্সবাজারের সমুদ্রে তাকে চুবিয়ে মেরে রেখে আসবে। কিয়ান ব্যাঙের মতো লাফিয়ে লাফিয়ে গাড়িতে উঠে বসলো। একে একে সবাই পিছনের গাড়িতে উঠে বসতেই Yn ও দুলতে দুলতে সেইদিকে হাটা ধরতে নিলো, আচমকা বাহুতে হ্যাঁচকা টান পরায় বারি খেলো Tae এর বুকের সঙ্গে। Yn ঘাড় ঘুরিয়ে বিরক্তিতে চোখমুখ খিঁচে চাইলো। এই লোকের সঙ্গেই কেনো সে সবসময় বারি খায়? কেনো ঘুরে এসে এই হিটলারের শক্তপোক্ত বুকে আটকা পরে সে? Tae শান্ত ভঙ্গিতে চেয়ে দেখছে Yn কে। চেক শার্টের সঙ্গে কালো জিন্সের প্যান্ট পড়েছে মেয়েটা, চুলগুলো কোনমতে যেনো খোপা করেছে। কয়েকটা ছোট চুল ঢলঢলে মুখের ওপর আছড়ে পড়ছে বারবার। Tae সূক্ষ্ম নজরে পরখ করলেও তার চোখে তীক্ষ্ণতা ছিল। সেই তীক্ষ্ণতা দেখে Yn ঢোক গিললো। উল্টো ঘুরে গাড়ির দিকে যেতে চাইলে Tae ঠান্ডা গলায় বলল, —আমার গাড়িতে ওঠো। —কেনো? —কারণ ওরা ট্যুরে গেলেও আমরা বিজনেসের কাজে যাচ্ছি। —নিভান ভাইকে ডে- —ওর আজকে ছুটি। —আমি একা যাবো না আপনার সঙ্গে। Tae এর মেজাজ চড়ে গেলো। যত ভাবে এই মেয়েকে বকবে না, অযথা ধমকাবে না ততই যেনো অবাধ্য হয়ে যায় এই মেয়ে। একদিন না বকলে দুইদিন মাথায় উঠে নাচে। তার প্রতিটা কথার অমত করার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে ফেলেছে এই মেয়ে। আজ পযন্ত কোনোদিন তাঁর কথা শুনেছে? শোনাতে পেরেছে? এখন ধমক দিলে উল্টো তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে, চোখের সামনে আসতে চাইবে না, তাকে ইগনোর করে চোখে আঙুল তুলে ঘুরবে। এত কিছু সহ্য করা যায়? নাহ, Tae নিজের রাগটুকু পুষে ফেলতে পারল না, নিজের পুরনো রূপে ফিরে এসে চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, —তোমার মতো অবাধ্যকে সহ্য করার জন্য আমি আসিনি। বলেছিলাম তোমার আর আমার মধ্যে শুধু প্রয়োজন থাকবে কোনো ধরনের আসক্তি নয়। তাহলে কিসের দোহাই দিয়ে আমার কথার ওপর দ্বিমত করছো? আমার সঙ্গে গেলে তোমাকে খেয়ে ফেলবো? নাকি টাচ করবো? করেছি কখনো? এমন রঙ্গ করে আমাকে চরিত্রহীন বুঝাচ্ছ? আনসাম মি Yn! শেষের কথার সঙ্গে ধমকে উঠলো Tae, Yn এর কোমল শরীরটা কেঁপে উঠল। মাথা নুইয়ে চুপচাপ সবটা শুনলো মেয়েটা। সবাই একসঙ্গে যাচ্ছিল বলে সেও যেতে চাচ্ছিল, তাই বলে এত কথা শুনবে? তাছাড়া এত কথা বলতে শিখলো কবে এই লোক? ** FF টা হয়তো বন্ধ করে দিতে হবে!! 200+cp lnk #foryoupage #fyp #Rimjem

About