@ms_lyrics17: #foryoupage #foryou #songs #lyrics #viralvideo

ms lyrics
ms lyrics
Open In TikTok:
Region: LK
Friday 23 October 2026 14:45:55 GMT
62152
5692
40
329

Music

Download

Comments

michellestevenson44
Michelle Stevenson :
I want this so bad!🙏🙏❤️❤️
2026-10-25 23:38:09
1
val_kentut_berdahak
Val imut😛💤 :
I miss him
2026-10-23 22:34:13
8
marina.korajlija
Marina Korajlijaj :
❤️❤️❤️❤️🪽🪽❤️❤️❤️❤️❤️❤️
2026-10-25 12:45:44
4
sarah_simonpaoli
Sarah :
dans une autre vie
2026-10-26 12:21:17
1
joshbrown260
josh brown :
2026-10-24 11:36:13
3
jerick.cartaciano
it's mē , jer :
me 🥺🥺
2026-10-26 13:45:31
1
marina.korajlija
Marina Korajlijaj :
❤️❤️❤️❤️🪽🪽❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
2026-10-25 12:45:53
2
bts_maya12
Bts_maya12 :
2026-10-24 00:49:44
4
marina.korajlija
Marina Korajlijaj :
❤️❤️❤️❤️❤️🪽🪽❤️❤️❤️❤️❤️
2026-10-25 12:45:36
2
misscoleman24
Miss Coleman💕🤍🖇️ :
I miss him💔😭
2026-10-24 10:01:33
2
nicola.la.torre8
Nicola La Torre :
2026-10-24 10:01:32
2
trendmusic20
trendmusic20 :
2026-10-24 21:54:53
2
sivo608
Sîvø :
2026-10-24 11:21:03
2
rosa_na79
Rosa_na💢 :
2026-10-24 16:48:55
2
qrtyuuuu
suciii :
2026-10-25 14:20:09
1
jeremy21124
†Jeremy2112† :
2026-10-24 22:24:38
1
heartofloser
I'm Isra_(22) :
2026-10-25 00:00:38
0
btsstraykids29
ARMYSTAY🇰🇷 :
2026-10-24 20:25:39
3
user2590747842160
leida raga :
2026-10-26 10:10:20
0
estefani.gutierre4
Alok Dj music :
Estthy♥️♥️♥️
2026-10-25 20:26:29
0
shadows.of.pain1
SHADOWS OF PAIN...❤️‍🩹 :
🥰♥️
2026-10-25 10:51:53
1
its_micaelly
micaellly :
🥰
2026-10-24 16:00:46
2
fernandoherrera086
Fernando :
😁😁😁
2026-10-24 13:42:18
2
nadiapetra14
Nadia :
[Red heart]
2026-10-24 14:55:41
1
lara.durao2
Lara Durao :
❤️❤️❤️❤️❤️
2026-10-24 05:40:29
3
To see more videos from user @ms_lyrics17, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

অপবাদ দিল!ছবিটার দিকে একবার তাকিয়ে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন, এখানে কি কোনো ধর্ষক বলাৎকার কারীকে দেখতে পাচ্ছেন? একঝাঁক শিশু পরম আনন্দে শিক্ষকের মুখে রং মাখিয়ে দিচ্ছে। শিক্ষকের মুখে হাসি, শিশুদের চোখে নির্ভরতা। এই ছবিতে ফুটে উঠেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর স্নেহপূর্ণ সম্পর্ক। পৃথিবীর আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা শিশুদের ভয়ভীতিহীন ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে শিক্ষাদানের কথা বলে। বাংলাদেশের কিন্ডারগার্টেন ও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও শিক্ষকেরা শিশুদের নিজের সন্তানের মতো আদর করেন, বুকে জড়িয়ে ধরেন, মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। তাহলে স্বাভাবিক স্নেহ এই শিক্ষকের বেলায় ধর্ষণ ও বলাৎকারের অপবাদে পরিণত হলো কীভাবে? অথচ শিক্ষার্থীদের টিকটক শেখানোর জন্য শিক্ষিকা পুরস্কার পান! এটাই আজকের সমাজের বাস্তবতা! একদিকে ভাইরাল সংস্কৃতির পুরস্কার, অন্যদিকে শিক্ষকের স্নেহের মধ্যে নোংরামি খোঁজার মানসিকতা। কোনো অভিযোগ থাকলে তদন্ত হোক, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি হোক। কিন্তু কোনো অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই অভিযোগের অপব্যাখ্যা করে একজন মানুষকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে, বুট দিয়ে পিষে, লাইভ ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অধিকার রুমি ও তার সহযোগীদের কে দিয়েছে? এরা কি সত্যিই ন্যায়বিচার করতে এসেছে, নাকি ক্যামেরা অন করে ভিউ ও ফলোয়ার বাড়ানোর ব্যবসায় নেমেছে? মানুষের সম্মানকে পুঁজি করে ভাইরাল হওয়া কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। রুমি শুধু নিজে ভাইরাল হয়নি, সে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মূলেও আঘাত করেছে। আগামীতে কোনো শিক্ষক শিশুকে নিজের সন্তানের মতো বুকে টেনে নিতে, আদর করতে কিংবা মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে ভয় পাবেন। কারণ তাঁরা জানবেন, এই সমাজে স্নেহকেও অপরাধের অপবাদ দিয়ে জনতার আদালতে দাঁড় করানো হতে পারে। এর ক্ষতি আজ হয়তো বোঝা যাবে না। পাঁচ বছর পর শিশুদের মানসিক বিকাশ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের ওপর এর প্রভাব দেখলেই বুঝবেন, কী ভয়ংকর ক্ষতি করে গেছে এই ভাইরাল মাস্তানি। আমরা শিশুদের নিরাপত্তা চাই, অপরাধের বিচার চাই। কিন্তু বিচারের নামে মব জাস্টিস, অপবাদ ও বর্বরতা চাই না। শিক্ষকের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হোক, হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হোক। ভাইরাল হওয়ার নেশায় শিক্ষকের জীবন ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করবেন না!
অপবাদ দিল!ছবিটার দিকে একবার তাকিয়ে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন, এখানে কি কোনো ধর্ষক বলাৎকার কারীকে দেখতে পাচ্ছেন? একঝাঁক শিশু পরম আনন্দে শিক্ষকের মুখে রং মাখিয়ে দিচ্ছে। শিক্ষকের মুখে হাসি, শিশুদের চোখে নির্ভরতা। এই ছবিতে ফুটে উঠেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর স্নেহপূর্ণ সম্পর্ক। পৃথিবীর আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা শিশুদের ভয়ভীতিহীন ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে শিক্ষাদানের কথা বলে। বাংলাদেশের কিন্ডারগার্টেন ও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও শিক্ষকেরা শিশুদের নিজের সন্তানের মতো আদর করেন, বুকে জড়িয়ে ধরেন, মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। তাহলে স্বাভাবিক স্নেহ এই শিক্ষকের বেলায় ধর্ষণ ও বলাৎকারের অপবাদে পরিণত হলো কীভাবে? অথচ শিক্ষার্থীদের টিকটক শেখানোর জন্য শিক্ষিকা পুরস্কার পান! এটাই আজকের সমাজের বাস্তবতা! একদিকে ভাইরাল সংস্কৃতির পুরস্কার, অন্যদিকে শিক্ষকের স্নেহের মধ্যে নোংরামি খোঁজার মানসিকতা। কোনো অভিযোগ থাকলে তদন্ত হোক, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি হোক। কিন্তু কোনো অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই অভিযোগের অপব্যাখ্যা করে একজন মানুষকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে, বুট দিয়ে পিষে, লাইভ ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অধিকার রুমি ও তার সহযোগীদের কে দিয়েছে? এরা কি সত্যিই ন্যায়বিচার করতে এসেছে, নাকি ক্যামেরা অন করে ভিউ ও ফলোয়ার বাড়ানোর ব্যবসায় নেমেছে? মানুষের সম্মানকে পুঁজি করে ভাইরাল হওয়া কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। রুমি শুধু নিজে ভাইরাল হয়নি, সে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মূলেও আঘাত করেছে। আগামীতে কোনো শিক্ষক শিশুকে নিজের সন্তানের মতো বুকে টেনে নিতে, আদর করতে কিংবা মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে ভয় পাবেন। কারণ তাঁরা জানবেন, এই সমাজে স্নেহকেও অপরাধের অপবাদ দিয়ে জনতার আদালতে দাঁড় করানো হতে পারে। এর ক্ষতি আজ হয়তো বোঝা যাবে না। পাঁচ বছর পর শিশুদের মানসিক বিকাশ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের ওপর এর প্রভাব দেখলেই বুঝবেন, কী ভয়ংকর ক্ষতি করে গেছে এই ভাইরাল মাস্তানি। আমরা শিশুদের নিরাপত্তা চাই, অপরাধের বিচার চাই। কিন্তু বিচারের নামে মব জাস্টিস, অপবাদ ও বর্বরতা চাই না। শিক্ষকের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হোক, হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হোক। ভাইরাল হওয়ার নেশায় শিক্ষকের জীবন ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করবেন না!

About