@alalmai22: STELLA-SUITES اجمل اطلالة على ابها #ابها #عسير #ابها_الان #أبها #المملكه_العربيه_السعوديه

أبو هتان | تصوير وتغطيات 🎥
أبو هتان | تصوير وتغطيات 🎥
Open In TikTok:
Region: SA
Saturday 24 October 2026 18:44:06 GMT
13271
199
21
98

Music

Download

Comments

nac_99e
ناصر نجران :
بكم اجاره
2026-10-25 23:28:01
0
aa05566
Ali_بني مشهور :
هذا فندق ولا منزل شخصي
2026-10-25 06:41:42
0
gmosh1234
💞 بنت السعوديه 💞 :
ماشاءالله والاطلاله فاخر من الاخر شيء جميل اخ لو معي بيت بكذا اطالاله الله يحقق مرادي وما اتمناه يارب
2026-10-26 13:45:31
0
ssaa1397
Ss💕 :
اسم المكان
2026-10-25 02:08:10
0
faresomar102
ابوعمر :
ايوه وكم سعر الاجار
2026-10-25 12:29:30
0
memap27
Amirah❤️ :
اسم المكان بسرعه
2026-10-24 19:32:48
0
222sa49
SARA🌸 :
مبدع والمكان يفرض نفسه 🥰🌹
2026-10-24 21:39:30
3
aa21112aa
———— :
وش هالجمال لاقوه إلا بالله ماشاء الله متعكم الله بكل جمييل 😍😍
2026-10-25 10:24:52
1
abhastar77
ابوعلي نجم ابها🇸🇦💫 :
جميل صراحه
2026-10-25 22:43:24
0
kk204397
K :
🥰
2026-10-25 16:14:24
0
cobggcfcvgv
مها العسيري 🦋 :
الله يسعد قلبك، ويجمل أيامك بالفرح، ويغمر روحك بالراحة، ويرزقك من الخير أوفره، ومن السعادة أكملها، ويجعل لك في كل يوم بشارة، وفي كل لحظة فرحة، ويحفظك وين ما كنت.
2026-10-26 01:53:33
0
To see more videos from user @alalmai22, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আমার ভাইরে টুঙ্গিপাড়া দিয়া পিরোজপুর আনার পর ওখানে জরাজারি হইছে। একবার মোরা কবর খুঁড়ছি, সেই কবর লোকজনে আবার ভরাট করে ফেলছে। আবার মোরা কবর খুঁড়ছি এবং পুলিশ লাশ আনার পরে মোরাই মাডি দিছি। কোনো পুরুষ মানুষ আয় নাই।’ চোখের পানি মুছতে মুছতে এভাবেই ভাইয়ের মরদেহ দাফনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছিলেন রিনা আক্তার। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর বোন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী ছিলেন মানিক পশারী। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। দুপুর ১২টায় পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানিক পশারীর মরদেহ আনা হলে তোপের মুখে পড়েন স্বজনরা। পরে পুলিশের সহায়তায় মরদেহ সরিয়ে নেওয়া হয় পুলিশ লাইনসে। সেখানে বিকেল ৫টার দিকে গার্ড অব অনার শেষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মরদেহ ঘিরে রাখে সদর থানা পুলিশ। পরে রাত ১টার দিকে সদর থানা পুলিশ মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যায়। রাতে মানিক পশারীর স্ত্রী, মেয়ে ও বোনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা মিলে কবর খুঁড়ে রাখলে মৃত্যুর ১৭ ঘণ্টা পর রাত ২টার দিকে দাফনকাজ শেষ করা হয়। এ সময় কিছু স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। তবে শোনা যাচ্ছে জানাজা ছাড়াই মানিককে দাফন দেওয়া হয়েছে। পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ সংগঠনের কোনো নেতৃবৃন্দ কোনো প্রকার বাধা সৃষ্টি করেনি। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ মরদেহের রাজনীতি করে না। তাই পিরোজপুর সদর থানা পুলিশকে পুরোপুরি সহায়তা করে মরদেহের দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মানিক পশারীর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মানিক পশারী পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী ছিলেন। ২০২৪ সালে আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার মেয়ে জামাইয়ের কাছে আশ্রয় নেন। মানিক গত ২ মাস ধরে অসুস্থ থেকে শনিবার মৃত্যুবরণ করেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে মরদেহের দাফন সম্পন্ন করে পুলিশ। #collected #foryoupage #বাংলাদেশি_ভাইরাল_টিকটক_ #foryou #trendingpost
আমার ভাইরে টুঙ্গিপাড়া দিয়া পিরোজপুর আনার পর ওখানে জরাজারি হইছে। একবার মোরা কবর খুঁড়ছি, সেই কবর লোকজনে আবার ভরাট করে ফেলছে। আবার মোরা কবর খুঁড়ছি এবং পুলিশ লাশ আনার পরে মোরাই মাডি দিছি। কোনো পুরুষ মানুষ আয় নাই।’ চোখের পানি মুছতে মুছতে এভাবেই ভাইয়ের মরদেহ দাফনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছিলেন রিনা আক্তার। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর বোন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী ছিলেন মানিক পশারী। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। দুপুর ১২টায় পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানিক পশারীর মরদেহ আনা হলে তোপের মুখে পড়েন স্বজনরা। পরে পুলিশের সহায়তায় মরদেহ সরিয়ে নেওয়া হয় পুলিশ লাইনসে। সেখানে বিকেল ৫টার দিকে গার্ড অব অনার শেষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মরদেহ ঘিরে রাখে সদর থানা পুলিশ। পরে রাত ১টার দিকে সদর থানা পুলিশ মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যায়। রাতে মানিক পশারীর স্ত্রী, মেয়ে ও বোনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা মিলে কবর খুঁড়ে রাখলে মৃত্যুর ১৭ ঘণ্টা পর রাত ২টার দিকে দাফনকাজ শেষ করা হয়। এ সময় কিছু স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। তবে শোনা যাচ্ছে জানাজা ছাড়াই মানিককে দাফন দেওয়া হয়েছে। পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ সংগঠনের কোনো নেতৃবৃন্দ কোনো প্রকার বাধা সৃষ্টি করেনি। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ মরদেহের রাজনীতি করে না। তাই পিরোজপুর সদর থানা পুলিশকে পুরোপুরি সহায়তা করে মরদেহের দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মানিক পশারীর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। কবরের পাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মানিক পশারী পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী ছিলেন। ২০২৪ সালে আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার মেয়ে জামাইয়ের কাছে আশ্রয় নেন। মানিক গত ২ মাস ধরে অসুস্থ থেকে শনিবার মৃত্যুবরণ করেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে মরদেহের দাফন সম্পন্ন করে পুলিশ। #collected #foryoupage #বাংলাদেশি_ভাইরাল_টিকটক_ #foryou #trendingpost

About