@amekajaa: HEY INI MASI PERCOBAAN YAA HIHI #makeupwisuda #transisimakeup

amek
amek
Open In TikTok:
Region: ID
Sunday 25 October 2026 11:28:17 GMT
86014
7285
43
61

Music

Download

Comments

iniacacut_
150313 :
amek u so beautifull!💖🐾
2026-10-25 11:31:51
12
shafasabilaaa
🦭 :
mek kelarin skripsian duluuu
2026-10-25 11:55:11
21
cheewiyy
her fav girl :
mekk itu bulumata/kelopaknya kaya turun sebelah gitu gaksiii, ak juga suka kaya gtu jir bingung salahnya dimana yak bulumatanya kah:(
2026-10-25 12:13:38
136
uyuy.hate.u
yuy :
tinggal di rapihin lagi kerudungnya, dah cakepppp😍😍
2026-10-25 12:45:21
2
ndr._
indrilestariii :
udh cucok bgt
2026-10-25 21:27:13
0
sayanzie
anak ibu :
pengen wisuda di makeup ini amek
2026-10-25 15:49:48
0
llouvesy
sy :
cara pake alis dr item jd coklat gitu gimana si mek
2026-10-26 07:18:05
0
jenaticcc
sha✿ :
BGUS MEKUPZ NYAH
2026-10-26 08:06:47
1
jupitermess
ayip :
Pake softlens apa kak
2026-10-25 14:46:49
0
suninthemorn
eyoo :
spill spflens sama ukuran brapa kak
2026-10-26 01:20:19
0
dewitafauziah2
Witoyy :
mekkk cerah bgtt ini pake lighting apaa sehh spil[Crying]
2026-10-25 18:13:58
0
afafdisinii
a :
GILA MEK, INI CAKEUPP BETTT
2026-10-25 12:10:18
0
mayaaaaja0
MA MAYA :
spill skinprep, aku terakhir make up ga nempel tp muanya gacor bisa bikin nempel
2026-10-26 10:52:59
0
anothernhn
han :
GASABAR LIAT KAK AMEK WISUDAAA
2026-10-25 12:43:19
0
asajugaini
𝓢𝓪𝓫𝓲𝓻𝓾𝓾/-🌟🍬 :
pas wisuda kak amek pake pasmina ajaa trus bagian kanan nya kasih printilan bunga panjang gituu, search ajaa di tiktok pastii baguss bgtt di kakakk
2026-10-25 23:32:38
1
creationality
animationcreation :
tutor
2026-10-25 11:47:07
0
flowerssonthefloor
sapaw ♡ :
2026-10-25 12:01:44
0
yanie9254
yanie :
2026-10-25 22:53:25
0
istrioohsehunreal
omca💋 :
warna hijab nya apa ka kalau boleh tau?
2026-10-27 10:31:06
0
user0987890640
🔞 :
amekkk
2026-10-25 11:47:09
0
arumanispinkblush
miekuahendyul :
TURUNKAN MEKKK TUTORIALNYA, LOVE U🫰
2026-10-25 11:44:23
0
sukasapidandonat
gal :
pake skot ga?
2026-10-25 15:36:18
0
gasskuyyoi
gaskuyyy🐢🐢🐢 :
awwww gw suka bgt bagian bibirnyaaaa, cucok meonggg abisss💋
2026-10-26 06:55:18
0
slsabilain
ssaaᥫ᭡ :
mw spill produk nya alis
2026-10-25 11:36:35
0
nursyifasyaharani
𝔸𝕤 :
💋💋💋
2026-10-25 11:31:43
0
To see more videos from user @amekajaa, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

।অভিমান করে হারিয়ে যাওয়া একটি ছেলে – মায়ের অপেক্ষার তিন বছর ছেলে রাগ করে মায়ের সঙ্গে অনেক বছর ধরে দেখা করে না। অনেক বছর ধরে মা বলে ডাকে না। অনেক বছর ধরে মা-ছেলের কোনো দেখা নেই। মায়ের মনটা সব সময় ছেলের জন্য ছটফট করত। পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে বসে সব সময় ছেলেকে নিয়ে গল্প করত, আর কান্না করত মা। আসল সত্য ঘটনা... ছেলের নাম জসিম। জসিম যখন মেট্রিক পাশ করে, তখন একটি মেয়েকে পছন্দ করেছিল। সে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু তখন ছেলে বয়সে ছোট ছিল বলে মা বাবা রাজি হয়নি। পরে সেই মেয়েটির অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যায়। এই দুঃখ আর কষ্টে জসিম একদিন বাবার সঙ্গে বেয়াদবি করে বসে—এমনকি বাবার গায়ে হাতও তোলে। বয়স কম ছিল, অবুঝ ছিল-তবুও সেদিন সে একটি চরম অপরাধ করেছিল। সবকিছু দেখে মা রেগে গিয়ে জসিমকে দু'টি থাপ্পড় মেরে বলে, “বাড়ি থেকে বের হয়ে যা। তুই আমার সন্তান না।” অনেক বকাঝকা আর অভিমানের সেই মুহূর্তে জসিম বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। আর ফিরে আসে না। সপ্তাহ যায়, মাস যায়-ছেলে আর বাড়ি ফেরে না। প্রতিদিন মা অপেক্ষা করে থাকে, কখন ছেলে ফিরে আসবে। কিন্তু বছর পেরিয়ে যায়, তবুও জসিম আর আসে না। জসিম ঢাকায় চলে যায়। বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করে। কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখে না। বাড়িতে কোনো খবর দেয় না। এক কথায়, সে হয়ে যায় নিরুদ্দেশ। তাদের দুই ছেলে ছিল— বড় ছেলে জসিম, আর ছোট ছেলের নাম অয়ন। ছোট ছেলে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকলেও বড় ছেলেকে ভীষণ মিস করত তারা। বিশেষ করে মা। প্রতিদিন রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে ছেলের জন্য কান্না করত মা। এলাকার মসজিদে বহুবার মানুষকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো হয়েছে- যাতে ছেলে যেখানেই থাকুক, ভালো থাকে। তিন বছর কেটে যায়। আজও ছেলের সঙ্গে কোনো দেখা নেই। মা প্রতিদিন পথ চেয়ে বসে থাকত— এই বুঝি ছেলে ফিরে এলো। বাবা তেমন কিছু না বললেও, মায়ের কষ্ট ছিল সীমাহীন। এই সামান্য রাগে ছেলে যে এত বড় অভিমান করবে, মা-বাবা তা বুঝতে পারেননি। আর যাকে জসিম ভালোবাসত- সেই মেয়েটি মাঝে মাঝে জসিমের মায়ের কাছে খোঁজ নিতে আসত। ২০০৬ সালের কথা। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়ি এলে, সে দৌড়ে চলে আসত জসিমদের বাড়িতে- “জসিমের কোনো খবর পাওয়া গেছে?” ফোন তখন ছিল, কিন্তু খরচ বেশি হওয়ায় সবাই খুব কম ব্যবহার করত। আর জসিমের তো কোনো নাম্বার বা ঠিকানাই জানা ছিল না। জসিম যাকে ভালোবাসত, তার একটি কন্যাসন্তান আছে। ২০০৩ সালে তার বিয়ে হয়, ২০০৪ সালে সন্তান জন্ম নেয়। তবুও সে জসিমকে ভুলতে পারেনি। প্রতিবার জসিমের কোনো খবর না পেয়ে মেয়েটি কান্না করত। নিজেকেই দায়ী করত-তার কারণেই জসিম বাড়ি ছেড়ে গেছে বলে। মাঝে মাঝে জসিমের মা বলত, “আগে জানলে তোকে আমার ছেলের বউ করতাম। আমি জানতাম না আমার ছেলে এত অভিমানী।
।অভিমান করে হারিয়ে যাওয়া একটি ছেলে – মায়ের অপেক্ষার তিন বছর ছেলে রাগ করে মায়ের সঙ্গে অনেক বছর ধরে দেখা করে না। অনেক বছর ধরে মা বলে ডাকে না। অনেক বছর ধরে মা-ছেলের কোনো দেখা নেই। মায়ের মনটা সব সময় ছেলের জন্য ছটফট করত। পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে বসে সব সময় ছেলেকে নিয়ে গল্প করত, আর কান্না করত মা। আসল সত্য ঘটনা... ছেলের নাম জসিম। জসিম যখন মেট্রিক পাশ করে, তখন একটি মেয়েকে পছন্দ করেছিল। সে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু তখন ছেলে বয়সে ছোট ছিল বলে মা বাবা রাজি হয়নি। পরে সেই মেয়েটির অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যায়। এই দুঃখ আর কষ্টে জসিম একদিন বাবার সঙ্গে বেয়াদবি করে বসে—এমনকি বাবার গায়ে হাতও তোলে। বয়স কম ছিল, অবুঝ ছিল-তবুও সেদিন সে একটি চরম অপরাধ করেছিল। সবকিছু দেখে মা রেগে গিয়ে জসিমকে দু'টি থাপ্পড় মেরে বলে, “বাড়ি থেকে বের হয়ে যা। তুই আমার সন্তান না।” অনেক বকাঝকা আর অভিমানের সেই মুহূর্তে জসিম বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। আর ফিরে আসে না। সপ্তাহ যায়, মাস যায়-ছেলে আর বাড়ি ফেরে না। প্রতিদিন মা অপেক্ষা করে থাকে, কখন ছেলে ফিরে আসবে। কিন্তু বছর পেরিয়ে যায়, তবুও জসিম আর আসে না। জসিম ঢাকায় চলে যায়। বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করে। কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখে না। বাড়িতে কোনো খবর দেয় না। এক কথায়, সে হয়ে যায় নিরুদ্দেশ। তাদের দুই ছেলে ছিল— বড় ছেলে জসিম, আর ছোট ছেলের নাম অয়ন। ছোট ছেলে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকলেও বড় ছেলেকে ভীষণ মিস করত তারা। বিশেষ করে মা। প্রতিদিন রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে ছেলের জন্য কান্না করত মা। এলাকার মসজিদে বহুবার মানুষকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো হয়েছে- যাতে ছেলে যেখানেই থাকুক, ভালো থাকে। তিন বছর কেটে যায়। আজও ছেলের সঙ্গে কোনো দেখা নেই। মা প্রতিদিন পথ চেয়ে বসে থাকত— এই বুঝি ছেলে ফিরে এলো। বাবা তেমন কিছু না বললেও, মায়ের কষ্ট ছিল সীমাহীন। এই সামান্য রাগে ছেলে যে এত বড় অভিমান করবে, মা-বাবা তা বুঝতে পারেননি। আর যাকে জসিম ভালোবাসত- সেই মেয়েটি মাঝে মাঝে জসিমের মায়ের কাছে খোঁজ নিতে আসত। ২০০৬ সালের কথা। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়ি এলে, সে দৌড়ে চলে আসত জসিমদের বাড়িতে- “জসিমের কোনো খবর পাওয়া গেছে?” ফোন তখন ছিল, কিন্তু খরচ বেশি হওয়ায় সবাই খুব কম ব্যবহার করত। আর জসিমের তো কোনো নাম্বার বা ঠিকানাই জানা ছিল না। জসিম যাকে ভালোবাসত, তার একটি কন্যাসন্তান আছে। ২০০৩ সালে তার বিয়ে হয়, ২০০৪ সালে সন্তান জন্ম নেয়। তবুও সে জসিমকে ভুলতে পারেনি। প্রতিবার জসিমের কোনো খবর না পেয়ে মেয়েটি কান্না করত। নিজেকেই দায়ী করত-তার কারণেই জসিম বাড়ি ছেড়ে গেছে বলে। মাঝে মাঝে জসিমের মা বলত, “আগে জানলে তোকে আমার ছেলের বউ করতাম। আমি জানতাম না আমার ছেলে এত অভিমানী।" ছেলের বন্ধুদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু জসিম সবার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়েছিল। মা-বাবা শুধু জানত—ছেলে হয়তো বেঁচে আছে। এর বেশি কিছু জানত না। মা দিনের পর দিন অপেক্ষা করত— একটা চিঠির জন্য। ডাকঘরে গিয়ে পোস্টমাস্টারের কাছে জিজ্ঞেস করত, "জসিম নামে কেউ চিঠি পাঠিয়েছে কি?" উত্তর আসত- "না।" ২০০৭ সালে একদিন হঠাৎ একটি চিঠি আসে। প্রেরক-জসিম। চিঠিতে কী লেখা ছিল... চলবে। সত্য ঘটনার গল্প: অভিমান করে বাড়ি ছেড়েছি আপনাদের ভালো না লাগলে পরের পর্ব দেওয়া হবে না। আর যদি বেশি লাইক ও কমেন্ট পাই, তাহলে বুঝব— আপনারা সত্য ঘটনাটির পরের অংশ জানতে চান। নোট: বাবা-মায়ের গায়ে হাত তোলা বেয়াদব সন্তান আমাদের সমাজে অহরহ দেখা যায়—এই গল্প তারই একটি বাস্তব প্রতিচ্ছবি। #সত্যঘটনা #অভিমান #মায়েরঅপেক্ষা #হারিয়েযাওয়া #পরিবার

About