@cfciefmlvrh:

Genevievetccem
Genevievetccem
Open In TikTok:
Region: US
Monday 26 October 2026 18:36:17 GMT
95
3
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @cfciefmlvrh, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

*যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে রাজশাহী রেঞ্জে অঙ্গীভূত আনসার বাছাই, একাধিক ধাপে কঠোর যাচাই* ২৫ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর রাজশাহী রেঞ্জের অঙ্গীভূত আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষণার্থী বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।  রেঞ্জের আওতাধীন আটটি জেলা- রাজশাহী, জয়পুরহাট, নওগাঁ, পাবনা, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মোট ১ হাজার ৩৬১ জন প্রার্থী এই কার্যক্রমে অংশ নেন। বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসারের শূন্যপদ পূরণ এবং ভিডিপি-টিডিপি উপজেলা আনসার মৌলিক ও অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের লক্ষ্যেই এই প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের আয়োজন করা হয়। স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও যোগ্যতাভিত্তিক নির্বাচন নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারিতে নেওয়া হয় কয়েকটি ধাপের পরীক্ষা। বাছাই প্রক্রিয়ার শুরুতেই ছিল উচ্চতা পরিমাপ। নির্ধারিত উচ্চতার মানদণ্ড পূরণ করতে না পারা প্রার্থীরা এই ধাপেই বাদ পড়েন। এরপর নেওয়া হয় প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এখানেও কঠোরভাবে যাচাই করা হয় প্রার্থীদের শারীরিক উপযুক্ততা। পরবর্তী ধাপে শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ে নেওয়া হয় ১০০ মিটার দৌড়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৌড় সম্পন্ন করতে না পারলে এই ধাপেই শেষ হয় তাঁদের বাছাইয়ের যাত্রা। দৌড়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এরপর অংশ নেন সাইড জাম্প, হাই জাম্প ও পুশ-আপে। প্রতিটি ইভেন্টের জন্য ছিল নির্ধারিত মানদণ্ড। শুধু অংশগ্রহণই নয়, প্রতিটি ধাপে প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরও তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হয়। ফলে তাঁরা নিজেদের পারফরম্যান্স সম্পর্কে নিজেরাই জানতে পারেন। শারীরিক সক্ষমতার কঠিন ধাপগুলো অতিক্রম করার পর প্রার্থীদের পুনরায় বিস্তারিত মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়। নির্ধারিত স্বাস্থ্যগত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হলে এই পর্যায়েও বাছাই থেকে বাদ পড়তে হয়। এরপর যাচাই করা হয় প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র। বাছাইয়ে টিকে থাকা প্রার্থীদের পাশাপাশি বাদ পড়া প্রার্থীরাও বাছাই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। যা পুরো বাছাই কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের পর শুরু হয় লিখিত পরীক্ষা। পরীক্ষার মাঠে প্রার্থীদের মধ্যে পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় রাখা হয়, ফলে একে অন্যের লেখা দেখে বা কথা বলে উত্তর লেখার সুযোগ ছিল না। পাশাপাশি, পরীক্ষার সার্বিক কার্যক্রমে ছিল কঠোর মনিটরিং ও তদারকি। সবশেষে প্রার্থীরা অংশ নেন মৌখিক পরীক্ষায়। সেখানে যাচাই করা হয় তাঁদের উপস্থিত বুদ্ধি ও সাধারণ জ্ঞান। সবগুলো ধাপের পরীক্ষা শেষে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয় চূড়ান্ত তালিকা। নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া প্রার্থীরা অঙ্গীভূত আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়। স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও নিখাদ যোগ্যতার ভিত্তিতে যে একটি দক্ষ ও দায়িত্বশীল বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব, রাজশাহীর এই মহাযজ্ঞ তা আবারও প্রমাণ করল। যোগ্যদের এই জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক। #ansarvdp #jobopportunities #training #আনসার বাহিনী
*যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে রাজশাহী রেঞ্জে অঙ্গীভূত আনসার বাছাই, একাধিক ধাপে কঠোর যাচাই* ২৫ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর রাজশাহী রেঞ্জের অঙ্গীভূত আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষণার্থী বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। রেঞ্জের আওতাধীন আটটি জেলা- রাজশাহী, জয়পুরহাট, নওগাঁ, পাবনা, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মোট ১ হাজার ৩৬১ জন প্রার্থী এই কার্যক্রমে অংশ নেন। বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসারের শূন্যপদ পূরণ এবং ভিডিপি-টিডিপি উপজেলা আনসার মৌলিক ও অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের লক্ষ্যেই এই প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের আয়োজন করা হয়। স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও যোগ্যতাভিত্তিক নির্বাচন নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারিতে নেওয়া হয় কয়েকটি ধাপের পরীক্ষা। বাছাই প্রক্রিয়ার শুরুতেই ছিল উচ্চতা পরিমাপ। নির্ধারিত উচ্চতার মানদণ্ড পূরণ করতে না পারা প্রার্থীরা এই ধাপেই বাদ পড়েন। এরপর নেওয়া হয় প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এখানেও কঠোরভাবে যাচাই করা হয় প্রার্থীদের শারীরিক উপযুক্ততা। পরবর্তী ধাপে শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ে নেওয়া হয় ১০০ মিটার দৌড়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৌড় সম্পন্ন করতে না পারলে এই ধাপেই শেষ হয় তাঁদের বাছাইয়ের যাত্রা। দৌড়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এরপর অংশ নেন সাইড জাম্প, হাই জাম্প ও পুশ-আপে। প্রতিটি ইভেন্টের জন্য ছিল নির্ধারিত মানদণ্ড। শুধু অংশগ্রহণই নয়, প্রতিটি ধাপে প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরও তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হয়। ফলে তাঁরা নিজেদের পারফরম্যান্স সম্পর্কে নিজেরাই জানতে পারেন। শারীরিক সক্ষমতার কঠিন ধাপগুলো অতিক্রম করার পর প্রার্থীদের পুনরায় বিস্তারিত মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়। নির্ধারিত স্বাস্থ্যগত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হলে এই পর্যায়েও বাছাই থেকে বাদ পড়তে হয়। এরপর যাচাই করা হয় প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র। বাছাইয়ে টিকে থাকা প্রার্থীদের পাশাপাশি বাদ পড়া প্রার্থীরাও বাছাই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। যা পুরো বাছাই কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের পর শুরু হয় লিখিত পরীক্ষা। পরীক্ষার মাঠে প্রার্থীদের মধ্যে পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় রাখা হয়, ফলে একে অন্যের লেখা দেখে বা কথা বলে উত্তর লেখার সুযোগ ছিল না। পাশাপাশি, পরীক্ষার সার্বিক কার্যক্রমে ছিল কঠোর মনিটরিং ও তদারকি। সবশেষে প্রার্থীরা অংশ নেন মৌখিক পরীক্ষায়। সেখানে যাচাই করা হয় তাঁদের উপস্থিত বুদ্ধি ও সাধারণ জ্ঞান। সবগুলো ধাপের পরীক্ষা শেষে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয় চূড়ান্ত তালিকা। নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া প্রার্থীরা অঙ্গীভূত আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়। স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও নিখাদ যোগ্যতার ভিত্তিতে যে একটি দক্ষ ও দায়িত্বশীল বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব, রাজশাহীর এই মহাযজ্ঞ তা আবারও প্রমাণ করল। যোগ্যদের এই জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক। #ansarvdp #jobopportunities #training #আনসার বাহিনী

About