🇦🇪Roman🇧🇩 jannat🇦🇪 :
প্রিয় দ্বীনি বোন ইদানীং টিকটকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ট্রেন্ড খুব বেশি চোখে পড়ছে। অনেকেই পোস্ট করছেন যে— "ফেরাউন এত খারাপ হওয়া সত্ত্বেও সে আসিয়া (আঃ) ছাড়া নাকি আর কোনো নারীর দিকে তাকায়নি, এটাই নাকি আসল লয়্যালটি বা বিশ্বস্ততা।"একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখুন, আমরা বিনোদনের ছলে বা না বুঝে কাকে কার সাথে তুলনা করছি আর কার প্রশংসা করছি!প্রথমত, একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের ভালোবাসার, অনুসরণের এবং প্রশংসা করার একমাত্র আদর্শ হলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং আল্লাহর প্রেরিত নবী-রাসূল ও সাহাবায়ে কেরামগণ।দ্বিতীয়ত, ফেরাউন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জালিম, অহংকারী এবং খোদাদ্রোহী। সে নিজেকে খোদা দাবি করেছিল এবং হাজার হাজার নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করেছিল। ইসলাম এবং পবিত্র কুরআনে যাকে অভিশপ্ত ও নিকৃষ্টতম উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, একজন মুমিন হয়ে আমরা কীভাবে তার তথাকথিত 'লয়্যালটি'র প্রশংসা করতে পারি?তৃতীয়ত, বিবি আসিয়া (আঃ) ছিলেন একজন জান্নাতী নারী। তিনি ফেরাউনের স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও ফেরাউনের কুফরি ও জুলুমকে ঘৃণা করতেন এবং মনে-প্রাণে এক আল্লাহর ওপর ঈমান এনেছিলেন। যার কারণে ফেরাউন তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে শহীদ করেছিল। ফেরাউন যদি আসলেই লয়্যাল বা প্রেমিক হতো, তবে নিজের স্ত্রীকে আল্লাহর ওপর ঈমান আনার কারণে এভাবে পাথর চাপা দিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করত না।তাই কোনো সস্তা লজিক বা টিকটক ট্রেন্ডের পেছনে ছুটে একজন অভিশপ্ত জালিমের গুণগান গেয়ে নিজের ঈমান ও আমলকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না। প্রশংসা যদি করতেই হয়, তবে আমাদের নবীজি (সাঃ) এবং তাঁর পবিত্র স্ত্রীদের (উম্মাহাতুল মুমিনীন) পবিত্র জীবনের করুন। তাঁদের চেয়ে বড় ভালোবাসার এবং লয়্যালটি বা বিশ্বস্ততার উদাহরণ আর পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।,,, কিছু পোস্ট করার আগে তার সত্যতা জাচাই করে নিবেন আপু
2026-10-27 17:40:38