@bensbuyss: They’re so cheap rn!! #insoles #cloudinsoles #insolesforwork #tiktokshopblackfriday #creatorsearchinsights

Ben
Ben
Open In TikTok:
Region: US
Thursday 29 October 2026 14:57:16 GMT
442234
987
15
116

Music

Download

Comments

shayne_lane
shaynelane😭🫵 :
How do u know what walking on clouds is
2026-10-31 10:34:25
73
izrby
theshizz :
Love how in the first clip he was using both of them instead of 1 😂
2026-11-02 14:51:58
3
bearded_food_guy
🦊🐧BFG🐧🦊 :
I have these they are very unsupportive
2026-11-02 16:11:46
0
mix.lz4
𝘔𝘪𝘹🥱 :
It gets to a point
2026-10-30 23:15:28
39
tw_t0b1
TW_whit :
blisters gonna be crazy with them on
2026-11-02 07:04:05
0
daniel.l.turner
Daniel turner :
Defo not good In the long term
2026-11-01 11:18:50
3
jimmypyp
OneeyeJim :
why do you put two together?
2026-11-01 23:20:21
0
ajboyd1991
Alan Boyd :
You can’t walk on clouds though.
2026-11-01 06:00:33
0
ghghsgsz
ghghsgsz :
Shoeperbreathable
2026-11-01 20:14:00
1
oofierich
oofierich4 :
2026-11-01 06:49:46
0
cryqt1c8
𝙹.𖥔 ݁ ˖ִ༄˖ :
Ok bro why are we nutting mid Advert
2026-11-02 20:26:34
0
To see more videos from user @bensbuyss, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

৫৫ হাজার টাকার মিষ্টি কিনে যে বাবা পুরো কোর্ট মাতিয়েছিলেন মেয়ের রেজাল্টে, আজ সেই মেয়ের গোল্ডেন এ-প্লাসের খবরটা শোনার জন্য বাবাই নেই। জেগেছে, আজ তা সত্যি হলো। কিন্তু আনন্দের ঠিক পাশেই একটা শূন্য জায়গা, যেখানে থাকার কথা ছিল তাঁর বাবার। কান্না চেপে রাখতে না পেরে মা বলছিলেন, মেয়েকে তার বাবা কখনো নাম ধরে ডাকেননি। সবসময় ডাকতেন
৫৫ হাজার টাকার মিষ্টি কিনে যে বাবা পুরো কোর্ট মাতিয়েছিলেন মেয়ের রেজাল্টে, আজ সেই মেয়ের গোল্ডেন এ-প্লাসের খবরটা শোনার জন্য বাবাই নেই। জেগেছে, আজ তা সত্যি হলো। কিন্তু আনন্দের ঠিক পাশেই একটা শূন্য জায়গা, যেখানে থাকার কথা ছিল তাঁর বাবার। কান্না চেপে রাখতে না পেরে মা বলছিলেন, মেয়েকে তার বাবা কখনো নাম ধরে ডাকেননি। সবসময় ডাকতেন "মামনি"। আর বলতেন, "তুমি সবসময় রাজার হালে চলবে। তোমার মধ্যে কোনো জড়তা কাজ করবে না। কারণ তুমি ভিকারুননিসার ফার্স্ট গার্ল।" বাবার এই কথাটাই ছিল মেয়ের সবচেয়ে বড় সাহস। আর সেই বিশ্বাসের মান রেখেছে মেয়েটা। টেস্ট পরীক্ষার ফলে ১৭টি সেকশনের মধ্যে সে মেরিট পজিশনে ছিল দ্বিতীয়, আর নিজের সেকশনে ছিল প্রথম। যেদিন প্রথম পরীক্ষা, সেদিন বাবা ছিলেন ভীষণ অসুস্থ, হাতে তখনো ক্যা'নো''লা লাগানো। তবু মেয়ের সাথে পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়েছিলেন। কারণ তাঁর কথা ছিল একটাই: "মামনির এত বড় পরীক্ষা, বাবা সাথে যাবেই।" একজন অসুস্থ বাবা কেন্দ্রের বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন, আর ভেতরে মেয়ে লিখছে, এই দৃশ্য ভাবলেই চোখ ভিজে যায়। এসএসসির রেজাল্টের দিনের স্মৃতিটা আরও মধুর, আজ আরও বেদনার। মেয়ে দৌড়ে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরেছিল। সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট সেই বাবা সেদিন সব গাম্ভীর্য ভুলে কোর্টে গিয়ে একে একে সবাইকে ডেকে বলেছিলেন, "আমার মেয়ে পাস করেছে!" সবাইকে ফোন করে খবর দিয়েছিলেন, আর ৫৫ হাজার টাকার মিষ্টি কিনে মুখ মিষ্টি করিয়েছিলেন সবার। মা বললেন, আজ তিনি থাকলে হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে খুশি মানুষটা তিনিই হতেন। কিন্তু হার্ট অ্যা'টা'''কে ১৩ অক্টোবর তিনি চলে গেছেন। রেজাল্ট প্রকাশের মাত্র ১৮ দিন আগে। এরপর কাঁদতে কাঁদতে কথা বলল মেয়ে নিজেই। বলল, "বাবা, তুমি যেখানেই থাকো, ভালো থেকো। তোমার আশীর্বাদের হাতটা আমার মাথার ওপর রেখো, যেন বাকি জীবনটা আমি তোমার আদর্শ ধরেই চলতে পারি।" বাবার ইচ্ছা ছিল মেয়ে ঢাকা মেডিকেলে পড়বে। মেয়ে বলল, "আমার বাবা খুব সৎ মানুষ ছিলেন।" আজকের এই সফলতা বাবা দেখে যেতে পারেননি, সেই কষ্ট বুকে নিয়েই সে তার এই রেজাল্ট উৎসর্গ করল মা আর বোনকে।

About