@mak_eila: phoebe i love u #phoebebridgers #halloween #phoebeween #foryoupage #music

mak
mak
Open In TikTok:
Region: US
Sunday 01 November 2026 06:09:20 GMT
12843
3555
57
258

Music

Download

Comments

4shmerl1n
Aspen :
And sf gets nothing as usual😭
2026-11-01 09:57:59
0
amongurswan
Amongmyswan :
For the sake of my wellbeing no she fucking did not
2026-11-01 06:29:06
271
morganlupinblack
morgan :
literally almost blacked out when boygenius came out
2026-11-01 09:49:16
0
vamp_lvr19
nett 🍏 :
PLEASE TELL ME DID THEY HAVE ANY COSTUMES AND IF SO WHAT WERE THEY?!??!?
2026-11-01 06:57:18
57
xopennyxo02
xxpennyxx :
alexa play kill me by phoebe bridgers
2026-11-01 06:33:46
162
leeknowsmissingpudding
i know dada (it’s suga⁷) :
i hate everyone who was at that show i’m getting so much fomo
2026-11-01 08:51:11
0
miaderosia
Mia🌌 :
like i didn’t even wanna be there
2026-11-01 09:37:10
0
anthony_l_a
anthony_l_a :
IM NOT WELL
2026-11-01 09:07:09
1
why_vetty
why_vetty :
My sister and I were the only ones hyped in our row 😭 but overall it was such an amazing show 🩵
2026-11-01 07:03:35
9
lolnotjamie
joe mama :
its fine we got early sunsets over monroeville down at hollywood bowl with mcr🥰
2026-11-01 07:40:21
4
tacticalfrogs
kay :
you’re fucking kidding me right
2026-11-01 08:23:01
1
gerbilvomit
kriztina :
genuinely thought i was ascending
2026-11-01 07:24:43
3
thinascinnamon
Finny :
Yeah but she brought out Billie yesterday so like who rlly won I’m not even jealous even
2026-11-01 06:41:55
16
gerbilgemma
gema :
Don’t forget on video
2026-11-01 07:42:29
1
jj_the_goofy_goober
🧊🫷✨JJ✨🫸🍊 :
YES SHE DID OMG I HAVE NO VOICE IT WAS CRAAAAAAAAAZY
2026-11-01 06:45:43
4
kaylaxxmarie
kayla 💐 :
oh she’s dead to me
2026-11-01 07:57:52
1
_crookedcrows_
🌕 :
They upgraded my seats 🥹 I was in the nosebleeds and the put in grey goose. Felt so blessed
2026-11-01 08:16:15
2
camsinthealps
cam.🛸 :
Best show ever.
2026-11-01 07:00:51
2
e.sme456
￴ ￴ ￴ :
Mind you I live down the street and didn’t get a single ticket for any of her shows 😐😭
2026-11-01 06:59:20
2
caprimaria
maria :
i screamed so loud to the point where i lost my breathe and had to sit down for a sec as soon as i heard the first note of strong enough 😭😭😭😭😭
2026-11-01 07:35:09
1
whos.sofi444
𝓢💕 :
THE BEST NIGHT OF MY LIFE OMG IM STILL IN AWE.
2026-11-01 07:03:46
2
lizvega._
Liz Vega 🌙 :
seriously don’t know how i survived not strong enough live
2026-11-01 08:05:59
1
pa1sl3igh
paisleigh :
kay great
2026-11-01 06:56:15
1
autumnspice_
autumnspice_ :
Oh just kill me then
2026-11-01 06:57:16
1
kimieaaaa
Kimiea :
Wait no ur joking
2026-11-01 06:16:39
1
To see more videos from user @mak_eila, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আর সেটি চালু রাখার ব্যাটারির জন্য আরও এক বিঘা? আজকের দিনে কথাটা শুনলে হয়তো অবিশ্বাস্য মনে হবে। কিন্তু ১৯৬৫ সালে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার রহিমাবাদ গ্রামের দেলোয়ার হোসেন মিঞার কাছে ব্যাপারটা পাগলামি ছিল না। ছিল একটা স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখার সাধ। সেই সময়টা একবার কল্পনা করুন।  হাতে হাতে স্মার্টফোন নেই, ইচ্ছে হলেই ইউটিউবে গান কিংবা ফেসবুকে দেশ-বিদেশের খবর,এসবের কিছুই নেই।  গোটা একটা গ্রামের কাছে বাইরের পৃথিবীর একমাত্র জানালা তখন ওই একটিমাত্র যন্ত্র।নাম রেডিও।  যে যন্ত্র থেকে ভেসে আসত গান, আসত খবর, আসত অন্য এক জগতের নিঃশ্বাস। গান আর খবর শোনার সেই নেশাই দেলোয়ার হোসেনকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল এক অসম্ভব সিদ্ধান্তের দিকে। পাঁচ বিঘা পৈতৃক জমি বিক্রি করে তিনি ঘরে তুললেন জাপানের তৈরি একটি রেডিও।  কিন্তু যন্ত্র ঘরে এলেই তো হলো না, তাকে প্রাণ দিতে লাগে ব্যাটারি।  সেই ব্যাটারির খরচ জোগাতে বিক্রি হলো আরও এক বিঘা। রেডিও আর তার শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য মোট ছয় বিঘা জমি। ভাবা যায়? আমরা জাপানের Sony বা Mitsubishi এর নাম অনেকেই চিনি।  কিন্তু দেলোয়ার হোসেনের এই রেডিওটি ছিল জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রিক কোম্পানি, অর্থাৎ NEC-এর তৈরি। আজও সেটির গায়ে জ্বলজ্বল করছে সেই নাম। একটু থেমে ভাবুন তো, বিষয়টা কত অদ্ভুত।  যুদ্ধের ছাই থেকে সবে উঠে দাঁড়ানো একটা দেশের তৈরি যন্ত্র, সমুদ্র পেরিয়ে, মহাদেশ পেরিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জের এক প্রত্যন্ত গ্রামের উঠোনে।  জাপানের প্রযুক্তি তখন থেকেই নিঃশব্দে পৃথিবীর কোণে কোণে ছড়িয়ে পড়ছিল।আর তারই একটা ছোট্ট সাক্ষী হয়ে বসেছিল রহিমাবাদের এই রেডিওটি। সেই রেডিও ঘিরেই তখন দেলোয়ার হোসেনের বাড়ি হয়ে উঠেছিল গোটা এলাকার প্রাণকেন্দ্র।  আশপাশের গ্রাম থেকে শত শত মানুষ ভিড় করতেন একটিবার কান পেতে বসতে।  কেউ গান, কেউ খবর,একটিমাত্র যন্ত্রকে ঘিরে কত মানুষের আগ্রহ, কত আড্ডা, কত মুগ্ধতা! কিন্তু এই আনন্দের গল্পেই একসময় নেমে এল অন্য এক অধ্যায়,অভাবের ছায়া। সময়ের স্রোতে দেলোয়ার হোসেন তাঁর পৈতৃক ছাব্বিশ বিঘা জমি একটু একটু করে বিক্রি করে দিলেন।  ১৯৬৯ সালে বিক্রি করতে হলো মাথা গোঁজার বসতবাড়িটুকুও।  আর সবশেষে, ১৯৭২ সালে, বিক্রি হয়ে গেল সেই প্রিয় রেডিওটিও। দাম?  মাত্র একশো আশি টাকা। একবার ভাবুন সেই নিষ্ঠুর হিসাবটা। যে রেডিও ঘরে আনতে পাঁচ বিঘা জমি বিলিয়ে দিতে হয়েছিল, অভাবের মুখে সেটিকেই হাতছাড়া করতে হলো মাত্র একশো আশি টাকায়। শখ আর বাস্তবতার মাঝখানের দূরত্বটা এর চেয়ে নির্মমভাবে আর কীভাবেই বা বোঝানো যায়? ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি দেলোয়ার হোসেন পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। কিন্তু গল্পটা সেখানেই শেষ হয়নি।  বাবার মৃত্যুর আট বছর পর, ২০২২ সালে ছেলে আলতাফ হোসেন খুঁজে পান সেই হারিয়ে যাওয়া রেডিওটি। দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর পর বাবার শেষ স্মৃতি হিসেবে সেটি তিনি আবার বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। পুরোনো রেডিও ফিরে আসায় গ্রামের মানুষ আবারও ভিড় করলেন। তবে এবার আর গান শুনতে নয়, খবর জানতেও নয়,শুধু অতীতের সেই শখের জিনিসটাকে একনজর চোখে দেখতে। রেডিওটা ঘরে ফিরেছিল ঠিকই, কিন্তু তার কণ্ঠস্বর আর ফিরে আসেনি। কেন?  কারণ সেটি চালাতে একসঙ্গে দরকার ছিল আটটি বড় ব্যাটারি। আর সেই ব্যাটারি কিনতে লাগত প্রায় চারশো টাকা,যে সামর্থ্যটুকুও আলতাফ হোসেনের ছিল না। এখানেই এসে গল্পটা বুকের ভেতর একটা চাপা দীর্ঘশ্বাস হয়ে বসে থাকে। যে রেডিও কিনতে একদিন বিঘার পর বিঘা জমি বিক্রি হয়েছিল, অর্ধশতাব্দী পর সেই রেডিও চালানোর সামান্য ব্যাটারির টাকাটুকুও জুটল না। ‘শখের তোলা আশি টাকা’ কথাটা মুখে বলতে ছোট্ট, হালকা।  কিন্তু দেলোয়ার হোসেনের জীবনে সেই শখের গল্পটা অনেক বড়, অনেক গভীর।আর তার শেষটা বড় বিষন্ন ,বড় নি:শব্দ। #خذلان #دموع #حياة #اقتباسات #عبارات_مؤثرة      💔🥀😔
আর সেটি চালু রাখার ব্যাটারির জন্য আরও এক বিঘা? আজকের দিনে কথাটা শুনলে হয়তো অবিশ্বাস্য মনে হবে। কিন্তু ১৯৬৫ সালে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার রহিমাবাদ গ্রামের দেলোয়ার হোসেন মিঞার কাছে ব্যাপারটা পাগলামি ছিল না। ছিল একটা স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখার সাধ। সেই সময়টা একবার কল্পনা করুন। হাতে হাতে স্মার্টফোন নেই, ইচ্ছে হলেই ইউটিউবে গান কিংবা ফেসবুকে দেশ-বিদেশের খবর,এসবের কিছুই নেই। গোটা একটা গ্রামের কাছে বাইরের পৃথিবীর একমাত্র জানালা তখন ওই একটিমাত্র যন্ত্র।নাম রেডিও। যে যন্ত্র থেকে ভেসে আসত গান, আসত খবর, আসত অন্য এক জগতের নিঃশ্বাস। গান আর খবর শোনার সেই নেশাই দেলোয়ার হোসেনকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল এক অসম্ভব সিদ্ধান্তের দিকে। পাঁচ বিঘা পৈতৃক জমি বিক্রি করে তিনি ঘরে তুললেন জাপানের তৈরি একটি রেডিও। কিন্তু যন্ত্র ঘরে এলেই তো হলো না, তাকে প্রাণ দিতে লাগে ব্যাটারি। সেই ব্যাটারির খরচ জোগাতে বিক্রি হলো আরও এক বিঘা। রেডিও আর তার শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য মোট ছয় বিঘা জমি। ভাবা যায়? আমরা জাপানের Sony বা Mitsubishi এর নাম অনেকেই চিনি। কিন্তু দেলোয়ার হোসেনের এই রেডিওটি ছিল জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রিক কোম্পানি, অর্থাৎ NEC-এর তৈরি। আজও সেটির গায়ে জ্বলজ্বল করছে সেই নাম। একটু থেমে ভাবুন তো, বিষয়টা কত অদ্ভুত। যুদ্ধের ছাই থেকে সবে উঠে দাঁড়ানো একটা দেশের তৈরি যন্ত্র, সমুদ্র পেরিয়ে, মহাদেশ পেরিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জের এক প্রত্যন্ত গ্রামের উঠোনে। জাপানের প্রযুক্তি তখন থেকেই নিঃশব্দে পৃথিবীর কোণে কোণে ছড়িয়ে পড়ছিল।আর তারই একটা ছোট্ট সাক্ষী হয়ে বসেছিল রহিমাবাদের এই রেডিওটি। সেই রেডিও ঘিরেই তখন দেলোয়ার হোসেনের বাড়ি হয়ে উঠেছিল গোটা এলাকার প্রাণকেন্দ্র। আশপাশের গ্রাম থেকে শত শত মানুষ ভিড় করতেন একটিবার কান পেতে বসতে। কেউ গান, কেউ খবর,একটিমাত্র যন্ত্রকে ঘিরে কত মানুষের আগ্রহ, কত আড্ডা, কত মুগ্ধতা! কিন্তু এই আনন্দের গল্পেই একসময় নেমে এল অন্য এক অধ্যায়,অভাবের ছায়া। সময়ের স্রোতে দেলোয়ার হোসেন তাঁর পৈতৃক ছাব্বিশ বিঘা জমি একটু একটু করে বিক্রি করে দিলেন। ১৯৬৯ সালে বিক্রি করতে হলো মাথা গোঁজার বসতবাড়িটুকুও। আর সবশেষে, ১৯৭২ সালে, বিক্রি হয়ে গেল সেই প্রিয় রেডিওটিও। দাম? মাত্র একশো আশি টাকা। একবার ভাবুন সেই নিষ্ঠুর হিসাবটা। যে রেডিও ঘরে আনতে পাঁচ বিঘা জমি বিলিয়ে দিতে হয়েছিল, অভাবের মুখে সেটিকেই হাতছাড়া করতে হলো মাত্র একশো আশি টাকায়। শখ আর বাস্তবতার মাঝখানের দূরত্বটা এর চেয়ে নির্মমভাবে আর কীভাবেই বা বোঝানো যায়? ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি দেলোয়ার হোসেন পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। কিন্তু গল্পটা সেখানেই শেষ হয়নি। বাবার মৃত্যুর আট বছর পর, ২০২২ সালে ছেলে আলতাফ হোসেন খুঁজে পান সেই হারিয়ে যাওয়া রেডিওটি। দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর পর বাবার শেষ স্মৃতি হিসেবে সেটি তিনি আবার বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। পুরোনো রেডিও ফিরে আসায় গ্রামের মানুষ আবারও ভিড় করলেন। তবে এবার আর গান শুনতে নয়, খবর জানতেও নয়,শুধু অতীতের সেই শখের জিনিসটাকে একনজর চোখে দেখতে। রেডিওটা ঘরে ফিরেছিল ঠিকই, কিন্তু তার কণ্ঠস্বর আর ফিরে আসেনি। কেন? কারণ সেটি চালাতে একসঙ্গে দরকার ছিল আটটি বড় ব্যাটারি। আর সেই ব্যাটারি কিনতে লাগত প্রায় চারশো টাকা,যে সামর্থ্যটুকুও আলতাফ হোসেনের ছিল না। এখানেই এসে গল্পটা বুকের ভেতর একটা চাপা দীর্ঘশ্বাস হয়ে বসে থাকে। যে রেডিও কিনতে একদিন বিঘার পর বিঘা জমি বিক্রি হয়েছিল, অর্ধশতাব্দী পর সেই রেডিও চালানোর সামান্য ব্যাটারির টাকাটুকুও জুটল না। ‘শখের তোলা আশি টাকা’ কথাটা মুখে বলতে ছোট্ট, হালকা। কিন্তু দেলোয়ার হোসেনের জীবনে সেই শখের গল্পটা অনেক বড়, অনেক গভীর।আর তার শেষটা বড় বিষন্ন ,বড় নি:শব্দ। #خذلان #دموع #حياة #اقتباسات #عبارات_مؤثرة 💔🥀😔

About