@s.cateh:

Savannah Cate
Savannah Cate
Open In TikTok:
Region: US
Sunday 01 November 2026 20:23:45 GMT
121
23
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @s.cateh, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Arrange Marriage (Part:75) কফির ট্রে হাতে ঘরে ঢুকে Yn দেখল,Tae ইতিমধ্যে নিজের চেয়ারে বসে ল্যাপটপ খুলে কাজ শুরু করেছে।তারপর কফির মগটা Tae-এর সামনে এগিয়ে দিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে রইল। Tae:কী হলো?দাঁড়িয়ে আছ কেন? Yn:কিছু না। Tae:আরেকটু সাবধানে চলাফেরা করবে।বাড়িতে গেস্ট এসেছে,তার সামনে এমন অসাবধানতা ভালো দেখায় না। Yn:আপনি কি সত্যিই মনে করেন,সব দোষ আমার? Tae: আমি কি বলেছি সব দোষ তোমার? Yn:কথায় না বললেও আপনার আচরণেই তো বুঝিয়ে দিয়েছেন।একবারও জিজ্ঞেস করলেন না কীভাবে হলো।সরাসরি আমাকে বকতে শুরু করলেন। Tae:তাহলে কী হয়েছে?তুমি কি বলতে চাইছ,Sara ইচ্ছা করে তোমার সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছে? Yn:সেটা বলছি না।কিন্তু— Tae:তাহলে আর কথা বাড়িও না।Sara এমনিতেই অস্বস্তিতে আছে।তার ওপর তুমি যদি। Yn:ঠিক আছে।আর কিছু বলব না। Tae:আচ্ছা,এখন যাও।আমার কাজ আছে। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত 9 টা।কাজ করতে করতে Tae বারবার আড়চোখে Yn-এর দিকে তাকাচ্ছিল। মেয়েটা সেই যে ফোন হাতে নিয়ে বিছানার এক পাশে বসেছে,তারপর থেকে একবারও তার দিকে তাকায়নি।কিছুক্ষণ আগের ঘটনাটা মনে পড়তেই নিজের ওপর বিরক্ত হলো।সত্যি বলতে,সারার কথা শুনেই Yn-কে বকা দেওয়া ঠিক হয়নি। Tae:Yn? Tae এর বুঝতে বাকি রইল না, বউয়ের অভিমান এখনো কমেনি।কিছুক্ষণ পর সে উঠে দাঁড়াল। Tae:আমি একটু বাইরে যাচ্ছি। Yn শুনল কি না বোঝা গেল না।কোনো উত্তর না পেয়ে Tae নিজেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।প্রায় আধা ঘণ্টা পর Tae ফিরে এল।তার দুই হাতে বেশ কয়েকটি চকোলেটের প্যাকেট।Yn-এর পছন্দের নানা রকম চকোলেট ডার্ক চকলেট,মিল্ক চকলেট, ক্যারামেল,এমনকি ছোট ছোট চকলেট বারও কিনেছে।ঘরে ঢুকেই সে দেখল, Yn আগের মতোই বিছানায় বসে ফোন স্ক্রল করছে।স্বামীর ফিরে আসা যেন তার চোখেই পড়েনি। Tae:এই যে! Yn: .. Tae:মিসেস কিম,আপনার স্বামী ঘরে ফিরেছে। Yn ফোনের স্ক্রিন থেকে চোখ না তুলেই বলল, Yn: দেখেছি। Tae ভ্রু কুঁচকে তাকাল। Tae:দেখেছ,অথচ তাকাওনি কেন? Yn:তাকানোর কী আছে? Tae এবার সত্যিই বিরক্ত হয়ে গেল।এতক্ষণ ধরে নিজে থেকে কথা বলার চেষ্টা করছে,আর মেয়েটা তাকে পাত্তাই দিচ্ছে না!সে এগিয়ে গিয়ে Yn-এর হাত থেকে ফোনটা নিয়ে বিছানার অন্য পাশে ছুড়ে মারল। Yn:এই! কী করছেন আপনি? Tae:ফোনটা একটু বিশ্রাম নিক।সারাক্ষণ ওর সঙ্গেই তো সময় কাটাচ্ছ! Yn রাগী চোখে তাকাল। Yn:আমার ফোন নিয়ে এমন করছেন কেন?আর আপনি তো আমাকে কথাই বলতে মানা করেছেন! Tae:আমি কখন বললাম? Yn:একটু আগে বললেন,আর কথা বাড়িও না। এখন আবার কথা বলতে এসেছেন কেন? Tae এবার থমকে গেল।মেয়েটা যে কথাটা এত গুরুত্ব দিয়ে মনে রেখেছে,তা সে ভাবেনি। Tae:আচ্ছা, সরি। Yn মুখ ফিরিয়ে নিল। Tae:এই যে, শুনছ? Yn:না। Tae:আমার দিকে তাকাও। Yn:ইচ্ছা করছে না। Tae হঠাৎ এক হাত কান পর্যন্ত তুলে ধরল। Tae:আচ্ছা বাবা,কান ধরছি।এবার রাগ করে থেকো না,প্লিজ! Yn এবার অবাক হয়ে তার দিকে তাকাল।চোখের সামনে Kim Taehyung নামের সেই গম্ভীর জেনারেল নিজের কান ধরে বসে আছে। Yn:কান ধরেছেন কেন? Tae:তোমার রাগ ভাঙানোর জন্য।আর কী করব বলো?তোমার সঙ্গে কথা বলতে গেলেই তো মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছ! Yn নিজের হাসি আটকে রাখার চেষ্টা করল। Yn:আপনি একদম বাচ্চাদের মতো আচরণ করছেন Tae:জানি।কিন্তু বউয়ের রাগ ভাঙাতে হলে বাচ্চা হতেও আপত্তি নেই। Yn-এর ঠোঁটের কোণে এবার সামান্য হাসি ফুটে উঠল।Tae সেটা দেখেই একটু সাহস পেল। Tae:তাহলে মাফ? Yn:এখনো না। Tae:এত কিছুর পরও? Yn:আপনি আমাকে বকেছেন। Tae:হ্যাঁ,বকেছি।আমার ভুল হয়েছে।তোমার কথা না শুনেই তোমাকে দোষ দিয়েছি।আর এমন করব না। Tae তার মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারল অভিমানের বরফ একটু একটু করে গলছে।তখনই তার চোখ পড়ল টেবিলে রাখা চকোলেটগুলোর দিকে। Tae:আচ্ছা,এগুলো দেখবে না? Yn কৌতূহলী হয়ে তাকাল।টেবিলের ওপর এতগুলো চকোলেট দেখে তার চোখ মুহূর্তেই বড় হয়ে গেল। Yn:এগুলো কী? Tae:তোমার জন্য। Yn:আমার জন্য? Tae:না,পাশের বাড়ির বিড়ালের জন্য।অবশ্য বিড়াল চকোলেট খায় কি না,সেটা জানা নেই। Yn:এতগুলো চকোলেট! Tae:হ্যাঁ।ভেবেছিলাম,তোমার রাগের পরিমাণ অনুযায়ী হয়তো আরও কিনতে হবে। Yn আর কোনো কথা বলল না।একটা চকোলেট মুখে দিতেই তার চোখেমুখে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ল। Tae:কী?মজা? Yn মুখভর্তি চকোলেট নিয়ে মাথা নাড়ল। Tae:আমাকে একটু দেবে? Yn মুচকি হেসে একটা চকলেট Taeএর ঠোঁটের কাছে ধরতেই Tae কিছুটা ঝুঁকে মুখ খুলল।কিন্তু পরমুহূর্তেই Yn দুষ্টুমি করে এক ঝটকায় চকলেটটা সরিয়ে নিল।তারপর খিলখিল করে হেসে বলল, Yn:দিবো না কথাটা বলেই সে পুরো চকলেটটা নিজের মুখে পুরে নিল।Tae কয়েক মুহূর্ত তার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল এক চিলতে দুষ্টু হাসি।Yn কিছু বুঝে ওঠার আগেই Tae তার কোমর জড়িয়ে কাছে টেনে নিয়ে নিজের ঠোঁট চেপে ধরল তার ঠোঁটে।মুহূর্তের মধ্যেই Ynএর মুখের চকলেটের অংশ নিজের দখলে নিয়ে নিল সে। Continue কিছুদিন পর আমার এক্সাম।তাই প্রতিদিন ff দিতে পারছিনা
Arrange Marriage (Part:75) কফির ট্রে হাতে ঘরে ঢুকে Yn দেখল,Tae ইতিমধ্যে নিজের চেয়ারে বসে ল্যাপটপ খুলে কাজ শুরু করেছে।তারপর কফির মগটা Tae-এর সামনে এগিয়ে দিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে রইল। Tae:কী হলো?দাঁড়িয়ে আছ কেন? Yn:কিছু না। Tae:আরেকটু সাবধানে চলাফেরা করবে।বাড়িতে গেস্ট এসেছে,তার সামনে এমন অসাবধানতা ভালো দেখায় না। Yn:আপনি কি সত্যিই মনে করেন,সব দোষ আমার? Tae: আমি কি বলেছি সব দোষ তোমার? Yn:কথায় না বললেও আপনার আচরণেই তো বুঝিয়ে দিয়েছেন।একবারও জিজ্ঞেস করলেন না কীভাবে হলো।সরাসরি আমাকে বকতে শুরু করলেন। Tae:তাহলে কী হয়েছে?তুমি কি বলতে চাইছ,Sara ইচ্ছা করে তোমার সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছে? Yn:সেটা বলছি না।কিন্তু— Tae:তাহলে আর কথা বাড়িও না।Sara এমনিতেই অস্বস্তিতে আছে।তার ওপর তুমি যদি। Yn:ঠিক আছে।আর কিছু বলব না। Tae:আচ্ছা,এখন যাও।আমার কাজ আছে। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত 9 টা।কাজ করতে করতে Tae বারবার আড়চোখে Yn-এর দিকে তাকাচ্ছিল। মেয়েটা সেই যে ফোন হাতে নিয়ে বিছানার এক পাশে বসেছে,তারপর থেকে একবারও তার দিকে তাকায়নি।কিছুক্ষণ আগের ঘটনাটা মনে পড়তেই নিজের ওপর বিরক্ত হলো।সত্যি বলতে,সারার কথা শুনেই Yn-কে বকা দেওয়া ঠিক হয়নি। Tae:Yn? Tae এর বুঝতে বাকি রইল না, বউয়ের অভিমান এখনো কমেনি।কিছুক্ষণ পর সে উঠে দাঁড়াল। Tae:আমি একটু বাইরে যাচ্ছি। Yn শুনল কি না বোঝা গেল না।কোনো উত্তর না পেয়ে Tae নিজেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।প্রায় আধা ঘণ্টা পর Tae ফিরে এল।তার দুই হাতে বেশ কয়েকটি চকোলেটের প্যাকেট।Yn-এর পছন্দের নানা রকম চকোলেট ডার্ক চকলেট,মিল্ক চকলেট, ক্যারামেল,এমনকি ছোট ছোট চকলেট বারও কিনেছে।ঘরে ঢুকেই সে দেখল, Yn আগের মতোই বিছানায় বসে ফোন স্ক্রল করছে।স্বামীর ফিরে আসা যেন তার চোখেই পড়েনি। Tae:এই যে! Yn: .. Tae:মিসেস কিম,আপনার স্বামী ঘরে ফিরেছে। Yn ফোনের স্ক্রিন থেকে চোখ না তুলেই বলল, Yn: দেখেছি। Tae ভ্রু কুঁচকে তাকাল। Tae:দেখেছ,অথচ তাকাওনি কেন? Yn:তাকানোর কী আছে? Tae এবার সত্যিই বিরক্ত হয়ে গেল।এতক্ষণ ধরে নিজে থেকে কথা বলার চেষ্টা করছে,আর মেয়েটা তাকে পাত্তাই দিচ্ছে না!সে এগিয়ে গিয়ে Yn-এর হাত থেকে ফোনটা নিয়ে বিছানার অন্য পাশে ছুড়ে মারল। Yn:এই! কী করছেন আপনি? Tae:ফোনটা একটু বিশ্রাম নিক।সারাক্ষণ ওর সঙ্গেই তো সময় কাটাচ্ছ! Yn রাগী চোখে তাকাল। Yn:আমার ফোন নিয়ে এমন করছেন কেন?আর আপনি তো আমাকে কথাই বলতে মানা করেছেন! Tae:আমি কখন বললাম? Yn:একটু আগে বললেন,আর কথা বাড়িও না। এখন আবার কথা বলতে এসেছেন কেন? Tae এবার থমকে গেল।মেয়েটা যে কথাটা এত গুরুত্ব দিয়ে মনে রেখেছে,তা সে ভাবেনি। Tae:আচ্ছা, সরি। Yn মুখ ফিরিয়ে নিল। Tae:এই যে, শুনছ? Yn:না। Tae:আমার দিকে তাকাও। Yn:ইচ্ছা করছে না। Tae হঠাৎ এক হাত কান পর্যন্ত তুলে ধরল। Tae:আচ্ছা বাবা,কান ধরছি।এবার রাগ করে থেকো না,প্লিজ! Yn এবার অবাক হয়ে তার দিকে তাকাল।চোখের সামনে Kim Taehyung নামের সেই গম্ভীর জেনারেল নিজের কান ধরে বসে আছে। Yn:কান ধরেছেন কেন? Tae:তোমার রাগ ভাঙানোর জন্য।আর কী করব বলো?তোমার সঙ্গে কথা বলতে গেলেই তো মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছ! Yn নিজের হাসি আটকে রাখার চেষ্টা করল। Yn:আপনি একদম বাচ্চাদের মতো আচরণ করছেন Tae:জানি।কিন্তু বউয়ের রাগ ভাঙাতে হলে বাচ্চা হতেও আপত্তি নেই। Yn-এর ঠোঁটের কোণে এবার সামান্য হাসি ফুটে উঠল।Tae সেটা দেখেই একটু সাহস পেল। Tae:তাহলে মাফ? Yn:এখনো না। Tae:এত কিছুর পরও? Yn:আপনি আমাকে বকেছেন। Tae:হ্যাঁ,বকেছি।আমার ভুল হয়েছে।তোমার কথা না শুনেই তোমাকে দোষ দিয়েছি।আর এমন করব না। Tae তার মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারল অভিমানের বরফ একটু একটু করে গলছে।তখনই তার চোখ পড়ল টেবিলে রাখা চকোলেটগুলোর দিকে। Tae:আচ্ছা,এগুলো দেখবে না? Yn কৌতূহলী হয়ে তাকাল।টেবিলের ওপর এতগুলো চকোলেট দেখে তার চোখ মুহূর্তেই বড় হয়ে গেল। Yn:এগুলো কী? Tae:তোমার জন্য। Yn:আমার জন্য? Tae:না,পাশের বাড়ির বিড়ালের জন্য।অবশ্য বিড়াল চকোলেট খায় কি না,সেটা জানা নেই। Yn:এতগুলো চকোলেট! Tae:হ্যাঁ।ভেবেছিলাম,তোমার রাগের পরিমাণ অনুযায়ী হয়তো আরও কিনতে হবে। Yn আর কোনো কথা বলল না।একটা চকোলেট মুখে দিতেই তার চোখেমুখে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ল। Tae:কী?মজা? Yn মুখভর্তি চকোলেট নিয়ে মাথা নাড়ল। Tae:আমাকে একটু দেবে? Yn মুচকি হেসে একটা চকলেট Taeএর ঠোঁটের কাছে ধরতেই Tae কিছুটা ঝুঁকে মুখ খুলল।কিন্তু পরমুহূর্তেই Yn দুষ্টুমি করে এক ঝটকায় চকলেটটা সরিয়ে নিল।তারপর খিলখিল করে হেসে বলল, Yn:দিবো না কথাটা বলেই সে পুরো চকলেটটা নিজের মুখে পুরে নিল।Tae কয়েক মুহূর্ত তার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল এক চিলতে দুষ্টু হাসি।Yn কিছু বুঝে ওঠার আগেই Tae তার কোমর জড়িয়ে কাছে টেনে নিয়ে নিজের ঠোঁট চেপে ধরল তার ঠোঁটে।মুহূর্তের মধ্যেই Ynএর মুখের চকলেটের অংশ নিজের দখলে নিয়ে নিল সে। Continue কিছুদিন পর আমার এক্সাম।তাই প্রতিদিন ff দিতে পারছিনা

About