@ghuom_raaj: বুঝতে পারতেছেন??? সমস্যার গোড়া কোথায়??? কেন লাঠি হাতে সরকার দলীয় গুন্ডারা শ্রমিকের মুখ চাইপা ধরতে চায়?? শ্রমিকের সাথে মালিকের কিসের দ্বন্দ্ব?? মালিক শ্রমিকরে দিয়াই মালিক!! শ্রমিকেরও মালিকের ফ্যাক্টরী দিয়েই রুটি-রুজি!! কিন্তু মালিক শ্রমিকের এই দ্বন্দ্বটা কারা লাগায়?? কারা একজনকে অপরজনের বিরুদ্ধে দাঁড় করায়!! শ্রমিকের মজুরি তো কাচামালেরই একটা অংশ!! ওইটা দিয়েই মালিকের প্রোফিট হয়!! যেই শ্রমিকের শ্রমে মালিকের কারখানা চলে সেই শ্রমিকের মজুরিতে মালিকের কেন অনীহা বা আপত্তি থাকবে?? নাইতো!! মালিকরে জোকের মত চুইষা খায় রাজনৈতিক দলের নেতা ছাতা আর প্রশাসন!! মালিকের উপায় নাই!! মালিক উপায়হীন হইয়া ওই গুন্ডা বাহিনীর সাথে পারে না বইলাই শেষমেশ আইসা দরিদ্র দুর্বল শ্রমিকরে ঠকায়!! শ্রমিকের রক্ত ঘাম কোনো মালিক খায় না!! খায় ওই পাতি নেতা বড় নেতা আর লাঠি হাতে শ্রমিক পেটানো ওই পুলিশ, প্রশাসন!! আর সেইকারণেই শ্রমিকের আন্দোলনে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস আর দলীয় সন্ত্রাস একীভূত হইয়া মাঠে নামে!! রাজনৈতিক বাটপার, চাঁদাবাজরাই আমাদের শ্রমিকদের ঘামের টাকা লুটে নেয়!! আর পেটের দায়ে যখনই আমাদের ভাইয়েরা রাস্তায় নামে এই চাঁদাবাজরা অস্ত্র হাতে তাদের প্রতিহত করতে সর্বশক্তি নিয়ে ভুখা শ্রমিকদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে!! ভিডিও করতে গেলে পিটিয়ে মেরে ফেলে!! লেলিয়ে দেয় রাষ্ট্রীয় শুয়োর বাহিনী!! যেসব মাদার/চো/দ শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবীকে হাস্যকর, উদ্ভট ও ষড়যন্ত্র বলে উপহাস করছে, সেইসব মাদার/চো/দদের এই গার্মেন্টস মালিকের কথা শোনা উচিত!! যাদের পরিশ্রমে দেশে ডলার আসে তাদের মজুরিও ডলারেই হওয়া উচিৎ। #টেম্পুস্ট্যান্ডপার্টি❌ #Ihaveaplan🤭