@nori_neto: "Traição Não Tem Desculpas" #pegavisao #mensagempositiva #fé

Pega visão
Pega visão
Open In TikTok:
Region: BR
Tuesday 16 December 2025 20:20:18 GMT
26933
3041
136
1137

Music

Download

Comments

emilia.rosa42
Mila valente :
concordo,por isso não perdoo.. Não admito
2025-12-16 21:17:38
3
maria.rocha919998
Maria Rocha :
dia uma boa quarta-feira para todos bom dia é isso aí meu amigo é verdade a quem não tem caráter que faz isso com certeza eu concordo com atitude de quem tem caráter trai porque não presta
2025-12-17 10:52:07
4
kassio8018
Kássio Brito :
com certeza
2025-12-16 21:35:43
5
elainez37
Elaine :
concordo plenamente com você ninguém tem direto de fazer isso que trair separa não temos direto de machucar um coração falta de respeito com a outra pessoa 🌸🌸🌸🌸
2025-12-17 02:40:35
2
adrianaramos4745
Adriana Ramos :
e verdade e safadeza
2025-12-28 12:52:14
2
sonia.pereira733
Sonia Pereira :
Bom dia to com tigo
2025-12-17 14:33:26
2
edisonpereira601
Edson Pereira :
com certeza verdade pura
2025-12-30 18:59:50
2
sulanirsantos
sula :
exato
2026-01-13 12:39:04
1
simonecorreia.garcia09
SimoneC.Garcia :
VERDADE
2026-01-07 04:31:55
1
sergio.aparecido452
Sergio Aparecido abilio :
Sergio Aparecido abilio
2025-12-25 01:26:34
1
aparecidafeitoza70
aparecidafeitoza70 :
vixi falou tudo
2025-12-22 19:25:59
1
leoniraleite
Leonira Leite :
É verdade bem assim mesmo
2025-12-17 12:27:11
2
bete.silva4704
Bete Silva :
verdade mesmo amigo e isso mesmo🥰🥰🥰🥰com certeza
2025-12-16 20:33:11
4
estelapeixoto910
estelapeixoto910 :
verdade mesmo
2025-12-29 15:53:03
1
betomomberg.ofc
BMOMBERG :
É isso mesmo 👍
2025-12-17 01:24:01
2
val.holanda1
Val Holanda :
e verdade
2025-12-18 10:08:04
2
neide_oliveiraa66
neide :
exatamente isso mesmo
2026-01-04 09:59:40
1
rosilene.maciel65
Rosilene Maciel :
verdade
2025-12-28 11:48:39
1
valdirene.gomes3344
Valdirene Gomes :
verdade
2025-12-17 22:40:16
1
rosemaryguedes752
Rosemary Guedes752 :
É verdade mesmo amém
2026-01-04 09:17:30
1
valescavieira466
Valesca Carmo vitrine :
verdade mesmo 👏
2025-12-19 17:20:39
1
lourdesoliveira19
Lourdes Oliveira :
É bem assim
2026-01-10 01:28:43
1
donadecasa.59
Marlene #Dona de casa# :
verdade mesmo ❤️
2026-01-02 23:34:51
1
carlito.pereira.d396
Carlito Pereira da Silva :
é verdade mesmo
2025-12-21 16:09:51
1
fatimamonte8
Fatima Monte :
concordo
2025-12-23 14:45:11
1
To see more videos from user @nori_neto, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

অনেকে ভেবেছিলেন সুহাসিনী মুলে হয়তো আর কোনও দিন বিয়ে করবেন না। কিন্তু ৬০ বছর বয়সে ফেসবুকে এক বিজ্ঞানীর সঙ্গে পরিচয় বদলে দেয় তাঁর জীবন। এলএইচসি নিয়ে একটি সাধারণ প্রশ্ন থেকে শুরু হয়েছিল আলাপ, আর মাত্র ৭৫ দিনের মধ্যেই তাঁরা বিয়ে করেন। বয়স যে ভালোবাসার পথে বাধা নয়, সুহাসিনী ও অতুল গুর্তুর গল্প যেন তারই এক সুন্দর প্রমাণ। ---- ষাট বছর বয়স পর্যন্ত বিয়ে না করে একাই জীবন কাটিয়েছিলেন অভিনেত্রী সুহাসিনী মুলে। বহু মানুষ তাঁকে প্রশ্ন করেছেন, কেউ অবাক হয়েছেন, আবার কেউ সমালোচনাও করেছেন। কিন্তু সুহাসিনী নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, শুধুমাত্র সমাজের চাপে বা বয়সের কারণে বিয়ে করা নয়, জীবনের সঙ্গী এমন একজন হওয়া উচিত যাঁর সঙ্গে সমান মর্যাদা, সম্মান আর মানসিক মিল থাকবে। সেই মানুষটির খোঁজ তিনি পাননি বলেই দীর্ঘ সময় একাই থেকেছেন। অথচ জীবনের ষষ্ঠ দশকে এসে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা বদলে দেয় তাঁর জীবন। সুহাসিনী মুলে ভারতীয় চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ। ‘লগান’, ‘জোধা আকবর’, ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। তবে ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দীর্ঘ সময় ছিলেন একা। এর আগে তাঁর একটি দীর্ঘ সহবাস সম্পর্ক ছিল, যা ১৯৯০ সালে শেষ হয়ে যায়। এরপর প্রায় দুই দশক তিনি একাই জীবন কাটান। সেই সময় এক সহকর্মীর পরামর্শে তিনি ফেসবুকে যোগ দেন। প্রেমের খোঁজে নয়, নতুন মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ ছিল তাঁর। ফেসবুকে ঘুরতে ঘুরতে তাঁর নজরে আসে অতুল গুর্তুর প্রোফাইল। অতুল গুর্তু একজন বিশিষ্ট ভারতীয় কণা পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি বহু বছর ধরে টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে কাজ করেছেন এবং ইউরোপের সার্ন গবেষণা কেন্দ্রে ভারতের বিভিন্ন পরীক্ষামূলক প্রকল্পের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশেষ করে বিশ্বের বৃহত্তম কণা ত্বরক ‘লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার’ বা এলএইচসি নিয়ে তাঁর গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হয়। বিজ্ঞান নিয়ে আগ্রহ ছিল সুহাসিনীরও। তাই একদিন তিনি অতুলকে একটি বার্তা পাঠান। প্রশ্ন ছিল এলএইচসি নিয়ে। সেখান থেকেই শুরু হয় কথোপকথন। ধীরে ধীরে বিজ্ঞান, বই, জীবনদর্শন আর নানা বিষয়ে তাঁদের আলোচনা বাড়তে থাকে। অনলাইন বন্ধুত্ব একসময় গভীর সম্পর্কে পরিণত হয়। যদিও প্রথমে সুহাসিনী কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। তিনি নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন যে অতুল সত্যিই সেই মানুষ, যিনি নিজেকে পরিচয় দিচ্ছেন। তাই তাঁর কর্মক্ষেত্র এবং পরিচিতদের মাধ্যমে অতুল সম্পর্কে খোঁজও নেন। অবশেষে দুজনের প্রথম দেখা হয়। সেই সাক্ষাতেই তাঁরা বুঝতে পারেন, এতদিন ধরে যে মানসিক সঙ্গীর খোঁজ চলছিল, হয়তো তিনি সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। আশ্চর্যের বিষয়, প্রথম সাক্ষাতের মাত্র ৭৫ দিনের মধ্যেই তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারি আর্য সমাজের রীতিতে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তখন সুহাসিনীর বয়স ৬০ বছর। সুহাসিনী পরে একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মানুষ তাঁকে যেমন কম বয়সে বিয়ে না করার জন্য বিচার করেছে, তেমনই ৬০ বছর বয়সে বিয়ে করার জন্যও সমালোচনা করেছে। কিন্তু তিনি কখনও সেই চাপকে গুরুত্ব দেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এমন একজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া, যাঁর সঙ্গে সমানভাবে জীবন কাটানো যায়। আর সেই মানুষটির সন্ধান তিনি পেয়েছিলেন এক সাধারণ ফেসবুক বার্তার মাধ্যমে, যেখানে শুরু হয়েছিল বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা, আর অজান্তেই জন্ম নিয়েছিল এক গভীর ভালোবাসার গল্প। #story #lovestory #motivation #Lifestyle #followme
অনেকে ভেবেছিলেন সুহাসিনী মুলে হয়তো আর কোনও দিন বিয়ে করবেন না। কিন্তু ৬০ বছর বয়সে ফেসবুকে এক বিজ্ঞানীর সঙ্গে পরিচয় বদলে দেয় তাঁর জীবন। এলএইচসি নিয়ে একটি সাধারণ প্রশ্ন থেকে শুরু হয়েছিল আলাপ, আর মাত্র ৭৫ দিনের মধ্যেই তাঁরা বিয়ে করেন। বয়স যে ভালোবাসার পথে বাধা নয়, সুহাসিনী ও অতুল গুর্তুর গল্প যেন তারই এক সুন্দর প্রমাণ। ---- ষাট বছর বয়স পর্যন্ত বিয়ে না করে একাই জীবন কাটিয়েছিলেন অভিনেত্রী সুহাসিনী মুলে। বহু মানুষ তাঁকে প্রশ্ন করেছেন, কেউ অবাক হয়েছেন, আবার কেউ সমালোচনাও করেছেন। কিন্তু সুহাসিনী নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, শুধুমাত্র সমাজের চাপে বা বয়সের কারণে বিয়ে করা নয়, জীবনের সঙ্গী এমন একজন হওয়া উচিত যাঁর সঙ্গে সমান মর্যাদা, সম্মান আর মানসিক মিল থাকবে। সেই মানুষটির খোঁজ তিনি পাননি বলেই দীর্ঘ সময় একাই থেকেছেন। অথচ জীবনের ষষ্ঠ দশকে এসে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা বদলে দেয় তাঁর জীবন। সুহাসিনী মুলে ভারতীয় চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ। ‘লগান’, ‘জোধা আকবর’, ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। তবে ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দীর্ঘ সময় ছিলেন একা। এর আগে তাঁর একটি দীর্ঘ সহবাস সম্পর্ক ছিল, যা ১৯৯০ সালে শেষ হয়ে যায়। এরপর প্রায় দুই দশক তিনি একাই জীবন কাটান। সেই সময় এক সহকর্মীর পরামর্শে তিনি ফেসবুকে যোগ দেন। প্রেমের খোঁজে নয়, নতুন মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ ছিল তাঁর। ফেসবুকে ঘুরতে ঘুরতে তাঁর নজরে আসে অতুল গুর্তুর প্রোফাইল। অতুল গুর্তু একজন বিশিষ্ট ভারতীয় কণা পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি বহু বছর ধরে টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে কাজ করেছেন এবং ইউরোপের সার্ন গবেষণা কেন্দ্রে ভারতের বিভিন্ন পরীক্ষামূলক প্রকল্পের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশেষ করে বিশ্বের বৃহত্তম কণা ত্বরক ‘লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার’ বা এলএইচসি নিয়ে তাঁর গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হয়। বিজ্ঞান নিয়ে আগ্রহ ছিল সুহাসিনীরও। তাই একদিন তিনি অতুলকে একটি বার্তা পাঠান। প্রশ্ন ছিল এলএইচসি নিয়ে। সেখান থেকেই শুরু হয় কথোপকথন। ধীরে ধীরে বিজ্ঞান, বই, জীবনদর্শন আর নানা বিষয়ে তাঁদের আলোচনা বাড়তে থাকে। অনলাইন বন্ধুত্ব একসময় গভীর সম্পর্কে পরিণত হয়। যদিও প্রথমে সুহাসিনী কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। তিনি নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন যে অতুল সত্যিই সেই মানুষ, যিনি নিজেকে পরিচয় দিচ্ছেন। তাই তাঁর কর্মক্ষেত্র এবং পরিচিতদের মাধ্যমে অতুল সম্পর্কে খোঁজও নেন। অবশেষে দুজনের প্রথম দেখা হয়। সেই সাক্ষাতেই তাঁরা বুঝতে পারেন, এতদিন ধরে যে মানসিক সঙ্গীর খোঁজ চলছিল, হয়তো তিনি সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। আশ্চর্যের বিষয়, প্রথম সাক্ষাতের মাত্র ৭৫ দিনের মধ্যেই তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারি আর্য সমাজের রীতিতে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তখন সুহাসিনীর বয়স ৬০ বছর। সুহাসিনী পরে একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মানুষ তাঁকে যেমন কম বয়সে বিয়ে না করার জন্য বিচার করেছে, তেমনই ৬০ বছর বয়সে বিয়ে করার জন্যও সমালোচনা করেছে। কিন্তু তিনি কখনও সেই চাপকে গুরুত্ব দেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এমন একজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া, যাঁর সঙ্গে সমানভাবে জীবন কাটানো যায়। আর সেই মানুষটির সন্ধান তিনি পেয়েছিলেন এক সাধারণ ফেসবুক বার্তার মাধ্যমে, যেখানে শুরু হয়েছিল বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা, আর অজান্তেই জন্ম নিয়েছিল এক গভীর ভালোবাসার গল্প। #story #lovestory #motivation #Lifestyle #followme

About