@president.shilawalid.icj: স্বামী কর্তৃক স্ত্রী সার্বক্ষণিক নির্যাতন ও মারধরের শিকার হলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী নিকটস্থ থানা, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করতে হবে এবং অপরাধের গভীরতা ভেদে স্বামীর সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৬ মাসের কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। ১. স্ত্রীর তাৎক্ষণিক করণীয়। 1.চিকিৎসা ও প্রমাণ সংগ্রহ: মারধরের পর দ্রুত সরকারি হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (OCC) গিয়ে চিকিৎসা নিন এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করুন। এটি আদালতে সবচেয়ে বড় প্রমাণ। 2.জরুরি সহায়তা: যেকোনো জরুরি মুহূর্তে পুলিশের সহায়তার জন্য ৯৯৯ (National Emergency Service) অথবা নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সহায়তার জন্য ১০৯ (National Helpline) নম্বরে কল করুন। 3.প্রমাণ সংরক্ষণ: মারধরের ক্ষত বা আঘাতের ছবি, ভিডিও, অডিও রেকর্ড অথবা কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ থাকলে তা যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করুন। ২. কোথায় এবং কোন ধারায় মামলা করবেন ও সাজা কত. নির্যাতনের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে মূলত ৩টি আইনের অধীনে মামলা করা যায়. ক) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন হলে) নির্যাতন যদি যৌতুকের কারণে হয়ে থাকে, তবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে হবে। এই আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী সাজার মেয়াদ নিম্নরূপ. 1.১১ (ক) ধারা (নির্যাতনে মৃত্যু হলে): স্বামী বা দায়ীদের মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ড দেওয়া হবে। 2.১১ (কক) ধারা (মৃত্যুর চেষ্টা করলে): যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১২ বছর (সর্বোচ্চ ১২ বছর) সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। 3.১১ (খ) ধারা (মারাত্মক জখম বা অঙ্গহানি করলে): যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১২ বছর কিন্তু সর্বনিম্ন ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। 4.১১ (গ) ধারা (সাধারণ জখম বা মারধর করলে): সর্বোচ্চ ৩ বছর কিন্তু সর্বনিম্ন ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ড। খ) পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ (সাধারণ মারধর ও সুরক্ষার জন্য) যৌতুক ছাড়াও যেকোনো ধরণের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই আইনের অধীনে মামলা করা যায়। 1.প্রতিকার: এই আইনের মাধ্যমে স্ত্রী আদালতের কাছ থেকে 'সুরক্ষা আদেশ' (স্বামী যেন মারধর বা কাছে আসতে না পারে), 'বাসস্থানের আদেশ' (যৌথ বাড়ি থেকে বের করে দিতে না পারে) এবং 'ক্ষতিপূরণ' আদায় করতে পারেন। 2.শাস্তি (৩০ ধারা): আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সুরক্ষা আদেশ স্বামী অমান্য বা লঙ্ঘন করলে প্রথমবার অপরাধের জন্য অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পরবর্তীতে একই অপরাধ আবার করলে সাজা ১ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫,০০০ টাকা জরিমানা হতে পারে। গ) দণ্ডবিধি (Penal Code), ১৮৬০ (সাধারণ মারধর ও জখমের জন্য) যৌতুকের দাবি ছাড়াই যদি স্বামী নিয়মিত মারধর করে, তবে নিকটস্থ থানায় বা আদালতে দণ্ডবিধির অধীনে মামলা করা যায়। 1.৩২৩ ধারা (স্বেচ্ছায় আঘাত করা): অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড। 2.৩২৫ ধারা (গুরুতর জখম বা হাড় ভাঙা): স্বামী যদি মারধর করে হাত-পা বা হাড় ভেঙে ফেলে কিংবা গুরুতর জখম করে, তবে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। ৩. বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাওয়ার উপায়. আর্থিক সংকটের কারণে মামলা করতে না পারলে সরকারি খরচে আইনি লড়াই করার সুযোগ রয়েছে. প্রতিটি জেলা জজ আদালতে অবস্থিত সরকারি লিগ্যাল এইড (Legal Aid) অফিসে যোগাযোগ করে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরকারি আইনজীবী পেতে পারেন। এছাড়া আইন ও সালিশ কেন্দ্র (ASK), বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST), এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের মতো বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থাগুলো ভুক্তভোগী নারীদের বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ, মামলা পরিচালনা ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে থাকে।
প্রেসিডেন্ট.শিলাওয়ালিদ.ICJ.Ct
Region: BD
Tuesday 21 July 2026 05:55:52 GMT
Music
Download
Comments
অভিমানি মেয়ে শিল্পী :
আপি আমার ❤️❤️❤️❤️❤️
2026-07-21 19:40:58
2
🦋Love @ Birds🦋 :
😱 So beautiful apu👌👌👌
2026-07-21 18:26:34
2
Saiful Islam Saiful Islam :
আপু
2026-07-21 14:05:32
2
👮👮S N NayoN👮👮 :
মাশাআল্লাহ
2026-07-21 11:18:15
9
Fozlu :
আপু👍
2026-07-21 12:59:39
4
Only Allah can help us🤲🤲🤲 :
🥰🥰🥰
2026-07-21 09:53:57
5
মিষ্টার ভাগ্যবতী❤️🥀💯 :
❤️❤️❤️
2026-07-21 10:27:35
2
Only Allah can help us🤲🤲🤲 :
❤️❤️❤️
2026-07-21 09:53:59
1
ওয়ালিদ মোল্লা থাইল্যান্ড :
💋💋💋
2026-07-21 19:29:17
0
To see more videos from user @president.shilawalid.icj, please go to the Tikwm
homepage.