@manush.67: حیسابتان بۆ ناکەین😹.@𝑨𝒍𝒎𝒂𝒚 @ســە رۆی تــیك تــۆك😄🖤 #livehighlight #livehighlights #fyppppppppppppppppppppppp

MaNuSh🌚”
MaNuSh🌚”
Open In TikTok:
Region: IQ
Wednesday 05 August 2026 17:26:12 GMT
7073
332
8
52

Music

Download

Comments

wade82123
warde❤️ :
هنهههههه
2026-08-05 18:46:13
0
user3292842227634
user3292842227634 :
😂😂😂
2026-08-05 18:49:08
0
To see more videos from user @manush.67, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Hide & seek | s2 | part-90 পরক্ষণেই Taehyung নিজের আবেগ ঝেড়ে ফেলে দিয়ে বাস্তবতায় ফিরে এলো। নিজের অবাস্তব ইচ্ছা গুলোকে অর্থহীন মনে হলো তার কাছে। স্মৃতি আবার বাক্স বন্দী করা যায় নাকি?! যত্তোসব অর্থহীন কথা বার্তা।   এরপর হুট করেই আবার  Jimin এর কথা মনে পড়লো তার। Jimin বেটা থাকলে হয়তো Taeএর মুখে স্মৃতির কথা শুনে বলে বসতো,
Hide & seek | s2 | part-90 পরক্ষণেই Taehyung নিজের আবেগ ঝেড়ে ফেলে দিয়ে বাস্তবতায় ফিরে এলো। নিজের অবাস্তব ইচ্ছা গুলোকে অর্থহীন মনে হলো তার কাছে। স্মৃতি আবার বাক্স বন্দী করা যায় নাকি?! যত্তোসব অর্থহীন কথা বার্তা। এরপর হুট করেই আবার Jimin এর কথা মনে পড়লো তার। Jimin বেটা থাকলে হয়তো Taeএর মুখে স্মৃতির কথা শুনে বলে বসতো, " এই স্মৃতি আবার আপনার কতো নাম্বার প্রেমিকা ছিলো? সত্যি করে বলুন Mr. Kim" Taeএর মুখে আবারো অদ্ভুত হাসি ফুটে উঠলো। তৃতীয় বার তার মনে পড়লো ডিটেকটিভ Kim Taehyung এর কথা! সেই ভয়ঙ্কর অতীতের কথা মনে পড়তেই Tae একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলা শুরু করলো, Tae : হে সৃষ্টিকর্তা , তার কি ভয়ঙ্কর পরীক্ষাটাই না নিয়েছিলে তুমি। তাকে দেখার জন্য দুটো চোখ দিলে, ছোঁয়ার জন্য হাত দিলে, অনুভব করার জন্য মনটাও দিলে শুধু কাঙ্ক্ষিত মানুষটাকে তার ভাগ্যে লিখে দিলে না! আর ভাগ্যের দোষটাই বা কতোটুকু?! সে তো ভালোবাসতেই জানতো না। ভালোবাসা কিছুটা যুদ্ধের মতো। কৌশলে না এগোলে পরাজয় নিশ্চিত। আর ভাগ্য প্রেমিকদের পক্ষে থেকেও প্রতিপক্ষের ভূমিকা পালন করবে। _ কোমরে দুহাত রেখে হাপাতে হাপাতে গ্ৰামের রাস্তা ধরে হেটে যাচ্ছে y/n, যেতে যেতে মুখে কিছুটা বিরক্তির ছাপ নিয়ে কর্কশ স্বরে বিরবির করতে থাকলো সে , Y/n : কি ভেবেছিলেন উনি, আমি দেয়াল টপকাতে পারি না? তালা দিয়ে y/nকে বন্দী করে রাখা সম্ভব না। ভাগ্যিস ভেতরে একটা মই ছিলো, লাফিয়ে পড়ায় একটু ব্যাথা পেয়েছি, ওটা ব্যাপার না! কথাগুলো বিরবির করতে করতে y/n লক্ষ্য করলো সে জমিদারদের পারিবারিক কবরস্থানের কাছে চলে এসেছে। মুহুর্তেই ব্যাথার কথা ভুলে গেলো সে। Jungkook আর নর্তকী y/n এর সমাধির সামনে গিয়ে বসে পড়লো সে। আজ y/n তাদের (Jungkook আর নর্তকী y/nএর কবর) দুজনের কবরের দিকে তাকালো না, তাদের কবরের পাশে সমতল মাটির দিকে তাকালো y/n! এই সমতল মাটির নিচে কোনো এক অংশে হয়তো ডিটেকটিভ Taehyungএর অস্তিত্ব মিশে গেছিলো। Y/n পাহাড় সমান যন্ত্রনা বুকে চেপে, চোখে টলমল পানি নিয়ে মাটিতে হাত বোলাতে বোলাতে বলে উঠলো, Y/n : park Jimin ঠিক লিখেছেন। সত্যিই বোকা প্রেমিক তুমি ডিটেকটিভ সাহেব?! Y/n আর এক মুহুর্ত সেখানে দাড়ালো না, চোখের পানি মূছে পুকুরের দিকে চলে গেলো সে! Taehyung এখনও জানালা দিয়ে পুকুরের তাকিয়ে আছে! হুট করে Taeএর চোখ যায় সাদা শাড়ি পড়া মেয়েটার দিকে । Tae কয়েকবার চোখ ঢোলে ভলো ভাবে তাকিয়ে নিশ্চিত হয় মেয়েটা y/n! দৌড়ে পুকুরের দিকে চলে গেলো Tae! Y/n পুকুরপাড়ে দাড়িয়েই এদিক ওদিক তাকিয়ে কাউকে খুজছিলো। হটাৎ একটা হাত এসে জোরে তার হাত চেপে ধরে নির্জন একটা জায়গায় নিয়ে গেলো! চোখের পলক ফেলার আগেই ঘটনাটা ঘটে গেলো , y/n বুঝতেই পারলো না! Tae কপাল কুচকে গম্ভীর ভাব নিয়ে y/n এর দিকে তাকিয়ে আছে। y/n হুট করে এভাবে এতো কাছে Taeকে দেখে মৃদু হেসে কিছু বলতে যাবে, ওমনি Tae গম্ভীর গলায় বলে উঠে, Tae: বের হলে কি করে? Y/n : দেয়াল টপকে! Tae: কি সাংঘাতিক মহিলা, এখনই বাড়িতে ফিরে যাও। কথাটা বলেই Tae y/n এর হাত ছেড়ে দিয়ে তার থেকে একটু দূরে সরে যায়! Tae এর এমন কাজে Y/n কপাল কুচকে ফেলে, আর মুখে বিরক্তির ছাপ নিয়ে Taeএর অনেকটা কাছে চলে যায়। Tae কিছুটা অবাক হয় কিন্তু y/nকে পাত্তা দেয়না, y/n যতটা কাছে এসেছিলো ঠিক ততটা দূরে সরে যায় সে! Y/n এবার চেতে গিয়ে কাদো কাদো মুখ করে বলে উঠে, Y/n : প্রতিশোধ নিচ্ছেন? Tae : তুমি আমার আপনও না,তুমি আমার শত্রুও না। প্রতিশোধ নেবো অধিকারে? কথাটা বলেই Tae y/nএর থেকে সরে যাওয়ার জন্য সামনের দিকে পা বাড়ায়! ঠিক তখনই হুট করে ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়! Y/n হাসি মুখে দুহাত পেতে বৃষ্টি বিলাস করতে থাকে। y/nএর মুখে অদ্ভুত প্রান জুড়ানো হাসি। তার হাসির প্রথম কারন এই হটাৎ বৃষ্টি। আর দ্বিতীয় কারন , Tae এই বৃষ্টির মধ্যে যে তাকে একা ফেলে যাবে না তা আর বোঝার বাকি রইলো না! y/n খুশির চোটে চিৎকার দিয়ে Taeকে উদ্দেশ্যে করে বলে উঠলো, y/n : কিন্তু ভাগ্য আমার সঙ্গে আছে ছোট জমিদার সাহেব। Taeএর চার পাশে ঘুরে ঘুরে নাচতে শুরু করলো y/n! কিছুক্ষণ নেচে একটা গান ধরলো সে, "মেঘের পলক, চাঁদের নোলক, কাগজের খেয়া ভাসছে। বুক ধুক ধুক, চাঁদ পানা মুখ, চিলেকোঠা থেকে হাসছে। মেঘের বাড়িতে ভেজা ভেজা পায় তা থৈ তা থৈ বর্ষা। কাক ভেজা মন জল থৈ থৈ, রাত্তির হলো ফর্সা। আমি তুমি আজ, একাকার হয়ে, মিশেছি আলোর বৃত্তে। মম চিত্তে, নিতি নৃত্যে, কে যে নাচে। " দুজন বৃষ্টিতে ভিজে একাকার। Tae দুহাত বুকের উপর গুজে দাড়িয়ে y/nএর নাচ দেখছে! y/nএর মুখে এমন অদ্ভুত মায়াবী হাসি দেখে Tae হাসতে বাধ্য। মৃদু হেসে একবার আকাশের তাকিয়ে বলে উঠলো সে, Tae : একে তো নাচনেবুড়ি, তার উপর ঢোলের বাড়ি! তুমি নাচো, আর কারো সামনে নয়, শুধু আমার সামনে নেচো। _

About