@liennguyen1208_: #trending #xuhuong #thoitrangnu

Liên Nguyên Boutique
Liên Nguyên Boutique
Open In TikTok:
Region: VN
Thursday 08 October 2026 10:30:00 GMT
397
26
8
8

Music

Download

Comments

_p_h_o_l4
Nguyenkim pizama :
Đầm xinh lắm nàng oi
2026-10-08 11:32:55
0
nnguyenn12345
@ hnnguyen32 :
váy siêu đẹp shop ơi
2026-10-08 11:32:49
0
dao.tuyet98
Ánh Tuyết :
váy đẹp quá shop ơi
2026-10-08 11:04:40
0
thu.minh5834
thu minh :
váy xinh
2026-10-08 10:47:02
0
nm.lun395
Tô Quyên shop đồ bộ :
Đầm mặc xinh đi tiệc sang lắm luôn
2026-10-08 12:27:44
0
bula_990
Shop đồ bầu xinh :
Váy lên dáng xinh mê
2026-10-08 11:26:38
0
nangxinhmoingay.shop
Nàng Xinh - Thời Trang Nữ :
Mê quá
2026-10-08 11:28:53
0
nguyenquynhnhuy1
🌸Thời trang mẹ bầu 🌸 :
Váy xinh quá
2026-10-08 12:18:47
0
To see more videos from user @liennguyen1208_, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

পুরুষের চোখে নিজের স্ত্রীকে আগের মতো ভালো লাগে না—কখন? প্রশ্নটা কঠিন, কিন্তু অনেক পুরুষের জীবনের এক নীরব সত্য। তাই এই লেখাটি বিশেষ করে পুরুষদের জন্য। আমার স্ত্রী দেখতে সুন্দর। তবুও কেন জানি তাকে এখন আর আগের মতো ভালো লাগে না। আমাদের বিয়ে হয়েছে আট বছর। পাঁচ বছরের একটি মেয়ে আছে। অফিস শেষে আগে যেখানে দ্রুত বাড়ি ফিরতাম, এখন সেখানে ইচ্ছে করেই বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিই। রাত করে বাড়ি ফিরি। কারণ—বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। কিন্তু এক সময় ছিল...... অফিস শেষ হলেই শুধু স্ত্রীর টানে ছুটে যেতাম বাসার দিকে। ছুটি পেলেই তাকে নিয়ে ঘুরতে বের হতাম। ঘন্টার পর ঘন্টা তার সাথে গল্প করতাম। সত্যি বলতে, তখন স্ত্রীকে দেখলেই মন ভালো হয়ে যেত। কিন্তু এখন? ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলেও বিরক্ত লাগে। ও ফোন করলে অনেক সময় ধরিও না। রাতে যদি কাছে আসতে চায়, আমি রূঢ়ভাবে বলে দিই, জ্বালাতন করো না, সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত। আসলে ক্লান্তি কিছুই না…মূল কথা হলো স্ত্রীকে আর ভালো লাগে না। কেন এমন হচ্ছে বুঝতে পারছিলাম না। আমি এখনো পর'কী'য়ায় জড়াইনি, তবে মনে হচ্ছিল সেই দিকেই ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি অনেক পুরুষের সাথে কথা বললাম। জিজ্ঞেস করলাম, কেন পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে? তাদের অনেকেই হেসে বলল, এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কতদিন ভালো লাগে? কিন্তু উত্তরটা আমার মন মানতে পারলো না। তখন মনে হলো, এটা কি কোনো মানসিক সমস্যা? এই প্রশ্ন নিয়ে একদিন গোপনে একজন মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার আমার সব কথা শুনে শুধু একটা প্রশ্ন করলেন— আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন? আমি বললাম, জি করি। ডাক্তার বললেন, তাহলে আল্লাহর একটা নির্দেশ এক মাস মেনে চলুন। দেখবেন আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। কোনো ওষুধ লাগবে না। আমি অবাক হয়ে বললাম কোন নির্দেশ? ডাক্তার বললেন কুরআনে বলা হয়েছে—হে নবী, মুমিন পুরুষদের বলুন তারা যেন নিজেদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং নিজেদের ল'জ্জা'স্থানের হেফাজত করে। এটাই তাদের জন্য বেশি পবিত্র। তারপর ডাক্তার দৃঢ়ভাবে বললেন, আপনি এক মাস আপনার দৃষ্টি হেফাজত করুন। কোনো পরনারীর দিকে লো-লুপ দৃষ্টিতে তাকাবেন না। কোনো অ-শ্লী-ল জিনিস দেখবেন না। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন। আমি একটু সন্দেহ নিয়ে বললাম— এতেই কি কাজ হবে?” ডাক্তার হেসে বললেন— অবশ্যই হবে। তবে শর্ত একটাই—ফাঁকি দেওয়া যাবে না। আমি কথা দিলাম। চেম্বার থেকে বের হওয়ার সময় দেখলাম এক যুবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ভেতরে ঢুকছে। মেয়েটি খুবই আ-ক-র্ষ-ণীয়। স্বভাবতই আমার চোখ তার দিকে যেতে চাইছিল… কিন্তু হঠাৎ মনে পড়ে গেল আল্লাহর সেই নির্দেশ। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলাম। এরপর থেকে পথে ঘাটে কোনো নারীর দিকে চোখ পড়লে আমি দৃষ্টি নামিয়ে নিতাম। প্রথম দুদিন খুব অস্থির লাগলো। নারী শ'রী'র দেখার একটা প্রবল ইচ্ছা তৈরি হচ্ছিল। একদিন মোবাইল হাতে নিয়ে ঠিক করলাম, প*র্ন দেখবো। কিন্তু গুগলে সার্চ করতে গিয়েও মনে পড়ে গেল ডাক্তারের কথা…আল্লাহর নির্দেশ। আমি মোবাইল বন্ধ করে রেখে দিলাম। এভাবে ১৫ দিন কেটে গেল। এখন মনে হচ্ছে—আমি আর নিজেকে সামলাতে পারছি না। হঠাৎ মনে পড়লো আমার তো স্ত্রী আছে। আমি চাইলেই তো আমার চা-হি-দা মেটাতে পারি। আমি চাইলে তার কাছেই আমার ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারি। সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে আমি প্রায় দৌড়ে বাড়ি গেলাম। বাসায় ঢুকেই ডাকলাম—ইশা… কোথায় তুমি? স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি। ও আশ্চর্য হয়ে বললো,
পুরুষের চোখে নিজের স্ত্রীকে আগের মতো ভালো লাগে না—কখন? প্রশ্নটা কঠিন, কিন্তু অনেক পুরুষের জীবনের এক নীরব সত্য। তাই এই লেখাটি বিশেষ করে পুরুষদের জন্য। আমার স্ত্রী দেখতে সুন্দর। তবুও কেন জানি তাকে এখন আর আগের মতো ভালো লাগে না। আমাদের বিয়ে হয়েছে আট বছর। পাঁচ বছরের একটি মেয়ে আছে। অফিস শেষে আগে যেখানে দ্রুত বাড়ি ফিরতাম, এখন সেখানে ইচ্ছে করেই বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিই। রাত করে বাড়ি ফিরি। কারণ—বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। কিন্তু এক সময় ছিল...... অফিস শেষ হলেই শুধু স্ত্রীর টানে ছুটে যেতাম বাসার দিকে। ছুটি পেলেই তাকে নিয়ে ঘুরতে বের হতাম। ঘন্টার পর ঘন্টা তার সাথে গল্প করতাম। সত্যি বলতে, তখন স্ত্রীকে দেখলেই মন ভালো হয়ে যেত। কিন্তু এখন? ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলেও বিরক্ত লাগে। ও ফোন করলে অনেক সময় ধরিও না। রাতে যদি কাছে আসতে চায়, আমি রূঢ়ভাবে বলে দিই, জ্বালাতন করো না, সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত। আসলে ক্লান্তি কিছুই না…মূল কথা হলো স্ত্রীকে আর ভালো লাগে না। কেন এমন হচ্ছে বুঝতে পারছিলাম না। আমি এখনো পর'কী'য়ায় জড়াইনি, তবে মনে হচ্ছিল সেই দিকেই ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি অনেক পুরুষের সাথে কথা বললাম। জিজ্ঞেস করলাম, কেন পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে? তাদের অনেকেই হেসে বলল, এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কতদিন ভালো লাগে? কিন্তু উত্তরটা আমার মন মানতে পারলো না। তখন মনে হলো, এটা কি কোনো মানসিক সমস্যা? এই প্রশ্ন নিয়ে একদিন গোপনে একজন মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার আমার সব কথা শুনে শুধু একটা প্রশ্ন করলেন— আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন? আমি বললাম, জি করি। ডাক্তার বললেন, তাহলে আল্লাহর একটা নির্দেশ এক মাস মেনে চলুন। দেখবেন আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। কোনো ওষুধ লাগবে না। আমি অবাক হয়ে বললাম কোন নির্দেশ? ডাক্তার বললেন কুরআনে বলা হয়েছে—হে নবী, মুমিন পুরুষদের বলুন তারা যেন নিজেদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং নিজেদের ল'জ্জা'স্থানের হেফাজত করে। এটাই তাদের জন্য বেশি পবিত্র। তারপর ডাক্তার দৃঢ়ভাবে বললেন, আপনি এক মাস আপনার দৃষ্টি হেফাজত করুন। কোনো পরনারীর দিকে লো-লুপ দৃষ্টিতে তাকাবেন না। কোনো অ-শ্লী-ল জিনিস দেখবেন না। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন। আমি একটু সন্দেহ নিয়ে বললাম— এতেই কি কাজ হবে?” ডাক্তার হেসে বললেন— অবশ্যই হবে। তবে শর্ত একটাই—ফাঁকি দেওয়া যাবে না। আমি কথা দিলাম। চেম্বার থেকে বের হওয়ার সময় দেখলাম এক যুবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ভেতরে ঢুকছে। মেয়েটি খুবই আ-ক-র্ষ-ণীয়। স্বভাবতই আমার চোখ তার দিকে যেতে চাইছিল… কিন্তু হঠাৎ মনে পড়ে গেল আল্লাহর সেই নির্দেশ। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলাম। এরপর থেকে পথে ঘাটে কোনো নারীর দিকে চোখ পড়লে আমি দৃষ্টি নামিয়ে নিতাম। প্রথম দুদিন খুব অস্থির লাগলো। নারী শ'রী'র দেখার একটা প্রবল ইচ্ছা তৈরি হচ্ছিল। একদিন মোবাইল হাতে নিয়ে ঠিক করলাম, প*র্ন দেখবো। কিন্তু গুগলে সার্চ করতে গিয়েও মনে পড়ে গেল ডাক্তারের কথা…আল্লাহর নির্দেশ। আমি মোবাইল বন্ধ করে রেখে দিলাম। এভাবে ১৫ দিন কেটে গেল। এখন মনে হচ্ছে—আমি আর নিজেকে সামলাতে পারছি না। হঠাৎ মনে পড়লো আমার তো স্ত্রী আছে। আমি চাইলেই তো আমার চা-হি-দা মেটাতে পারি। আমি চাইলে তার কাছেই আমার ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারি। সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে আমি প্রায় দৌড়ে বাড়ি গেলাম। বাসায় ঢুকেই ডাকলাম—ইশা… কোথায় তুমি? স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি। ও আশ্চর্য হয়ে বললো, "কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?" সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে। সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, "মেয়েটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?সে অবাক হয়ে বললো— কি হয়েছে?” আমি কোনো কথা বললাম না। মুহূর্তের মধ্যে মনে হলো— এই মানুষটাকেই তো আমি একসময় এত ভালোবাসতাম। আমি ফিসফিস করে বললাম— ভালোবাসি তোমাকে। পরদিন আমি ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার বললেন— এখনো তো এক মাস শেষ হয়নি।” আমি হেসে বললাম— ডাক্তার সাহেব, সমস্যা শেষ হয়ে গেছে। তিনি শুধু মুচকি হেসে বললেন— স্বাগতম। আপনার সংসারের জন্য শুভকামনা। মনে রাখবেন—স্ত্রী কখনো বদলে যায় না, বদলে যায় আমাদের চোখ। যখন চোখ হা'রাম জিনিসে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন হালালও আর সুন্দর লাগে না। আর যখন চোখকে সংযত করা হয়, তখন নিজের স্ত্রীকেই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মানুষ মনে হয়।তাই নিজের সংসার বাঁচাতে চাইলে—প্রথমে নিজের দৃষ্টি হেফাজত করুন।

About