@starval282: probably won’t post in another billion years but it’s okay 👌 🥰#livephoto #viral #blowthisup #xybca #fypシ゚viral

♫★𝐕𝐚𝐥★♫
♫★𝐕𝐚𝐥★♫
Open In TikTok:
Region: US
Monday 12 October 2026 02:35:56 GMT
289
42
21
3

Music

Download

Comments

ivethramos917
❀￴𝓓𝓪𝔂𝓪𝓷𝓪♥︎ :
Only your dogs were missing
2026-10-12 03:00:13
1
unicorn67379
そふぃあ🌟 :
FOLLOW ME BACK VERITY
2026-10-12 02:45:06
1
zxc.xyz0
el_chris :
6 slide goota go
2026-10-12 02:42:42
1
itsandreaman82
Andrea :
gonna copy the third slide
2026-10-12 02:38:25
1
thegoatandthequeenniche
niche :
i loved the cherry blossoms
2026-10-12 04:53:19
1
val_bruh2013
𝓥𝓪𝓵𝓮 ♱ :
Woah I love
2026-10-12 02:56:23
1
itsandreaman82
Andrea :
omg so cool
2026-10-12 02:37:47
1
itsandreaman82
Andrea :
lets debate
2026-10-12 02:38:01
1
itsandreaman82
Andrea :
i love
2026-10-12 02:37:50
1
itsandreaman82
Andrea :
FISTE
2026-10-12 02:37:42
1
_secretlysofia
𝒮𝑜𝒻𝒾𝒶 ✿ :
i was expecting a dump ? 💩
2026-10-12 02:46:03
1
To see more videos from user @starval282, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

✿আমি তোমার হতে চাই✿ লেখিকা: সাদিয়া সুলতানা পর্ব: ৬৫ তরুণিধী ঠোঁটে জোর করে হাসি ফুটিয়ে বলল— —
✿আমি তোমার হতে চাই✿ লেখিকা: সাদিয়া সুলতানা পর্ব: ৬৫ তরুণিধী ঠোঁটে জোর করে হাসি ফুটিয়ে বলল— — "এই তো... কিছুক্ষণ আগেই এসেছি।" ইরা ভ্রু কুঁচকে তরুণিধীর দিকে তাকিয়ে রইল। তরুণিধী এবার ভাঙা কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল— — "তোমার সঙ্গে ওই মেয়েটা কে, ইহান ভাই?" ইহান মুচকি হেসে ইরার দিকে তাকাল। তারপর একটুও দ্বিধা না করে বলল— — "Meet my wife, Mrs. Ihan." কথাটা শুনে তরুণিধীর ঠোঁটে তিক্ত এক হাসি ফুটে উঠল। তাহলে সত্যিই... ইহান ভাই বিয়ে করেছে। যে মানুষটাকে ঘিরে এত বছর ধরে নিজের ভবিষ্যতের স্বপ্ন বুনেছে, সেই মানুষটাই আজ অন্য কারও। আর এক মুহূর্তও সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না তরুণিধী। দ্রুত ঘুরে বেরিয়ে গেল ইহানের রুম থেকে। হয়তো নিজের অনুভূতিগুলো লুকিয়ে রাখতে চেয়েছিল। চোখের পানি গড়িয়ে পড়ার আগেই সেখান থেকে চলে গেল সে। ইরা বোকা বনে দরজার দিকে তাকিয়ে রইল। মেয়েটা এভাবে দৌড়ে পালিয়ে গেল কেন? ইরার অবাক মুখ দেখে ইহান হেসে ফেলল। — "ওকে নিয়ে ভেবো না। ও একটু এই রকমই।" কিন্তু ইরার মন কিছুতেই সায় দিল না। সেদিনের আজমেরীর বলা কথাগুলো তার ঠিকই মনে আছে। সে জানে— তরু ইহান ভাইকে পছন্দ করে। আর আজ... তরুণিধীর চোখের পানি যেন সেই কথাটাই আরও স্পষ্ট করে দিয়ে গেল। --- বেশ রাত করে অবশেষে সাবিহাকে স্টেজে তোলা হলো। আর দেরি হবেই বা না কেন? মেয়েদের সাজগোজ করতে যে সময় লাগে! সেই বিকেল থেকেই সাজগোজ শুরু হয়েছে, অথচ এখন রাত প্রায় বারোটা বাজতে চলেছে। স্টেজের মাঝখানে একটি সোফায় সাবিহাকে বসিয়ে রাখা হয়েছে। তার সামনেই সারি সারি চেয়ারে বসে আছেন আত্মীয়স্বজন আর অতিথিরা। এক এক করে সবাই স্টেজে উঠে সাবিহার গায়ে হলুদ দিয়ে দিচ্ছে। সর্বপ্রথম স্টেজে উঠলেন আনসার খান আর সোনালী বেগম। দুজনেই সাবিহার পাশে গিয়ে বসলেন। বাবাকে দেখামাত্রই সাবিহা আর নিজেকে সামলে রাখতে পারল না। আনসার খানকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠল। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধান! এরপরই যে সে এই বাড়ির অতিথি হয়ে যাবে! যে বাবার ভালোবাসা আর আদরে এতটা বছর বড় হয়েছে, সেই বাবাকে একবার দেখার জন্যও হয়তো এখন অন্য কারও অনুমতি নিতে হবে। ভাবনাটাই যেন বুকটা ভারী করে দিল। আর মা... মাকে ছাড়া তো সাবিহার চলেই না। হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করার সময় ছুটিতে যখনই বাড়ি আসত, প্রতিবারই সোনালী বেগম মেয়েকে বিদায় দেওয়ার সময় চোখের পানি ফেলেছেন। অথচ এবার? এবার তো নিজের হাতে মেয়েকে অন্য একজনের হাতে তুলে দিতে হবে। কীভাবে সহ্য করবেন তিনি? সাবিহার কান্না দেখে মুহূর্তেই সবার চোখ ভিজে উঠল। আইরিন তো ইরাকে জড়িয়ে ধরে প্রায় কেঁদেই ফেলল। ইহানের নিজেরও বুকটা ভারী হয়ে এসেছিল। কিন্তু সে তা প্রকাশ করল না। শুধু বুকের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো একটি দীর্ঘশ্বাস। --- এরপর একে একে সবাই সাবিহাকে হলুদ দিয়ে শেষ করল। চারপাশে তখন আনন্দ আর হৈ-হুল্লোড়ের কমতি নেই। ইহান এতক্ষণ ইরার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পর হঠাৎ খেয়াল করল— ইরা তার পাশে নেই! ইহান চারদিকে তাকাতে শুরু করল। ঠিক তখনই— হঠাৎ সব লাইট নিভে গেল। চারপাশ মুহূর্তেই অন্ধকার হয়ে গেল। অন্ধকারের মধ্যে কেউ একজন বলে উঠল— — "এই, কারেন্ট চলে গেছে!" কিন্তু তার কথা শেষ হওয়ার আগেই— হঠাৎ স্টেজের ওপর একটি স্পটলাইট জ্বলে উঠল। সবার দৃষ্টি মুহূর্তেই স্টেজের দিকে চলে গেল। আর দৃশ্যটা দেখে সবাই অবাক! স্টেজে দাঁড়িয়ে আছে ইরা, আইরিন, আতিয়া, আরিয়ান আর নাহিদ। তিনজনের পরনেই সাদা লুঙ্গি আর সাদা শার্ট। চোখে কালো সানগ্লাস। সবার সামনে দাঁড়িয়ে ইরা। তার পেছনে আইরিন আর আতিয়া। আর তাদের ঠিক পেছনে আরিয়ান ও নাহিদ। মুহূর্তের মধ্যেই সাউন্ড বক্স থেকে বেজে উঠল ডিজের তালে তালে গান। আর তারপরই শুরু হলো নাচ! সবাই একসঙ্গে হাত-পা নেড়ে নাচতে শুরু করল। কখনো চোখের সানগ্লাস খুলে স্টাইল করে উপরে ছুড়ে দিচ্ছে, আবার মুহূর্তের মধ্যেই সেটাই ধরে চোখে পরে নিচ্ছে। একদম সিনেমার হিরোদের স্টাইলে! চারপাশ থেকে উত্তেজিত চিৎকার আর করতালিতে পুরো জায়গাটা মুখরিত হয়ে উঠল। কিন্তু ইহান? সে তাজ্জব বনে শুধু তাকিয়ে আছে। তার মাথায় তখন একটাই প্রশ্ন— এরা চেঞ্জ করার সময় কখন পেল? তবে কিছুক্ষণ পর তার দৃষ্টি গিয়ে আটকাল ইরার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নাহিদের ওপর। কেন জানি দৃশ্যটা ইহানের একদমই সহ্য হলো না। চোয়াল শক্ত হয়ে গেল তার। আর এক মুহূর্তও দেরি না করে দ্রুত স্টেজে উঠে গেল ইহান। সোজা গিয়ে ইরাকে হেঁচকা টানে নিজের কাছে টেনে নিল। হঠাৎ এমন টানে ইরা পুরোপুরি হতভম্ব হয়ে গেল। চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইল ইহানের দিকে। ইহান অবশ্য কিছু বলল না। শুধু চোখের ইশারায় সবাইকে স্টেজ থেকে নেমে যেতে বলল। ইহানের সেই দৃষ্টি বুঝতে কারওই বেশি সময় লাগল না। অগত্যা সবাই একে একে স্টেজ থেকে নেমে গেল। আর ঠিক তখনই সাউন্ড বক্সে বেজে উঠল, চলবে... #fry #sadiya #uponnash_lover @For You @For You House ⍟ @TikTok Bangladesh

About